পড়ুয়াদের টাকা ‘হাতিয়ে’ ঝাঁপ বন্ধ প্রতিষ্ঠানের

সরাসরি কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএড কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাননি। তাই বিজ্ঞাপন দেখে দূরশিক্ষায় বিএডে ভর্তি হয়েছিলেন বেসরকারি এক প্রতিষ্ঠানে। প্রচুর টাকা দিতে হয়েছিল। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই প্রতিষ্ঠানের কর্তারা সব টাকা নিয়ে ঝাঁপ বন্ধ করে বেপাত্তা বলে মুচিপাড়া থানায় অভিযোগ হয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৬ অগস্ট ২০১৫ ০২:৩৭
Share:

সরাসরি কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএড কোর্সে ভর্তির সুযোগ পাননি। তাই বিজ্ঞাপন দেখে দূরশিক্ষায় বিএডে ভর্তি হয়েছিলেন বেসরকারি এক প্রতিষ্ঠানে। প্রচুর টাকা দিতে হয়েছিল। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই প্রতিষ্ঠানের কর্তারা সব টাকা নিয়ে ঝাঁপ বন্ধ করে বেপাত্তা বলে মুচিপাড়া থানায় অভিযোগ হয়েছে।

Advertisement

পুলিশ জানায়, শিয়ালদহের মহাত্মা গাঁধী রোডের ওই সংস্থাটির নাম ‘মেরিট এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট প্রাইভেট লিমিটেড’। রাজ্য জুড়ে তাদের ২৭টি শাখাই বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে খবর। পাঁচশোরও বেশি পড়ুয়া এই প্রতারণার শিকার হন। পড়ুয়াদের অভিযোগ, কারও থেকে ৯৫, কারও থেকে ৭৫ হাজার করে টাকা জমা নিয়েছিল সংস্থাটি। বেশ কিছু পড়ুয়া জানান, তাঁদের মূল মার্কশিটও ওই প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে।

পড়ুয়ারা পুলিশকে জানান, ২০১৪-এ একটি সংবাদপত্রে বি়জ্ঞাপন দেখে ওই সংস্থায় ভর্তি হন তাঁরা। অভিযোগ, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের তালিকা দেখিয়ে পছন্দ মতো বিশ্ববিদ্যালয় বেছে নিতে বলেছিল ওই প্রতিষ্ঠান। ক্লাস শুরু হয় পুজোর পরে। মাস আটেক ক্লাসের পরে এ বছর জুনে হঠাৎ ক্লাস বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ হয় অধিকর্তা শান্তনু সরকার ও এক সদস্য আশিস চৌধুরীর মোবাইলও। তাঁদের খোঁজ না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন পড়ুয়ারা। মুচিপাড়া থানায় অভিযোগ হলেও লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ এর তদন্ত করছে বলে জানান গোয়েন্দা প্রধান পল্লবকান্তি ঘোষ।

Advertisement

মঙ্গলবার শান্তনু সরকার ও আশিস চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে দেখা যায় তাঁদের ফোন বন্ধ। সংস্থার সদর দফতরে গিয়ে দেখা যায় সেখানেও তালা বন্ধ। আশপাশের লোকজন জানান, দিন ১৫ আগেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে ওই অফিস।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement