‘শান্তিতে থাকুন’, ফোন এল কলকাতা বিমানবন্দরে

এখানেই থেমে থাকেননি সেই ব্যক্তি। বলেন, বিমানবন্দর দিয়েই ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জাপান-সহ তাবড় দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা যাতায়াত করেন। শান্তির জন্য তাঁদের কাছেও আবেদন করা উচিত ওই বিমানসংস্থার কর্মীদের।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০০:৩৪
Share:

কলকাতা বিমানবন্দরে ফোন করে শান্তির কথা বললেন এক ব্যক্তি।

কলকাতা বিমানবন্দরের চিত্রটা সোমবার থেকেই বেশ আঁটোসাঁটো। তল্লাশির পরেও যাত্রীদের ব্যাগ ঘেঁটে দেখছেন নিরাপত্তাকর্মীরা। বিমানবন্দরে ঢোকার মুখে গাড়ি দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চলছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সেন্ট্রাল ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ)-এর গোয়েন্দারা সাদা পোশাকে ঘুরে বেড়াচ্ছেন টার্মিনালে। বিমানবন্দরের পাঁচিল লাগোয়া রাস্তায় বেড়েছে টহল। সিআইএসএফ-এর ‘কুইক রিঅ্যাকশান টিম’ সজাগ।

Advertisement

এর মধ্যেই মঙ্গলবার প্রায় মাঝরাতে কলকাতা বিমানবন্দরে একটি বিমান সংস্থার টিকিট কাউন্টারে আসে অপরিচিত কণ্ঠের ফোন। ওই কাউন্টারে সাধারণত ফোন আসে উড়ানের তথ্য বা টিকিট পাওয়া যাবে কি না, তা জানতে। কিন্তু এই ফোনের অপর প্রান্ত থেকে এক পুরুষ কণ্ঠ হিন্দিতে যা বলেন তার অর্থ — ‘আপনারা বিমানবন্দরে চাকরি করেন। শান্তিতে থাকবেন। কোনও ধরনের অশান্তিকে প্রশ্রয় দেবেন না।’

এখানেই থেমে থাকেননি সেই ব্যক্তি। বলেন, বিমানবন্দর দিয়েই ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জাপান-সহ তাবড় দেশের রাষ্ট্রপ্রধানেরা যাতায়াত করেন। শান্তির জন্য তাঁদের কাছেও আবেদন করা উচিত ওই বিমানসংস্থার কর্মীদের। এ ক্ষেত্রে ‘অন্য দেশ’-এর অবশ্য নাম করেননি তিনি। কিন্তু এই ফোন নিয়েও মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হয় আশঙ্কা। কে করলেন ফোন? কী উদ্দেশ্য ছিল তাঁর?

Advertisement

পুরো ঘটনাটি সিআইএসফ তাদের খাতায় নথিভুক্ত করে রাখে। তবে, বিমান সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বলা হয়, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কোনও হুমকি ফোন বা উড়ান ব্যাহত হতে পারে এমন ফোন এলে তখন সঠিক জায়গায় অভিযোগ জানানোর কথা। কিন্তু, এই ব্যক্তি সে সব করেননি। ফলে, বিষয়টি বিমান সংস্থার তরফে পুলিশের কাছেও জানানো হয়নি।

বুধবার রসিকতা করে বিমানবন্দরের এক কর্তা বলেন, ‘‘কেউ তো এক জন শান্তির কথা বললেন!’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement