Bhawanipore Assembly

ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পরদিনই এসআইআর শুনানিতে উত্তেজনা, প্রাপ্তিস্বীকারের নথি না দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ

শুক্রবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ওই বৈঠকে তিনি নির্দেশ দেন, এসআইআর স্ক্রুটিনির দৈনিক রিপোর্ট কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কাছে জমা দিতে হবে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৯
Share:

ভবানীপুরে ভোটারদের সঙ্গে এসআইআরের শুনানিতে অভিযোগ শুনছেন কাউন্সিলর অসীম বসু। —নিজস্ব চিত্র।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভবানীপুর বিধানসভার বিএলএ এবং স্থানীয় নেতাদের বৈঠকের ঠিক পরদিনই ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (এসআইআর) শুনানিতে উত্তেজনা ছড়াল। শনিবার কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের সেন্ট জন্স ডায়োসেশন গার্লস স্কুলে আয়োজিত শুনানিতে ভোটারদের নথি জমা নেওয়া হলেও প্রাপ্তিস্বীকারের নথি (রিসিভড কপি) দেওয়া হচ্ছে না— এই অভিযোগ ঘিরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

Advertisement

শুনানিকেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের একাংশ অভিযোগ করেন, নাম সংশোধন বা পুনরায় অন্তর্ভুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পর কোনও প্রাপ্তিস্বীকারপত্র দেওয়া হচ্ছে না। এতে ভবিষ্যতে সমস্যা হলে কী ভাবে প্রমাণ দেখাবেন, তা নিয়েই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছোন স্থানীয় কাউন্সিলর তথা মেয়র পারিষদ অসীম বসু। তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, “কোনও সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন। রিসিভড কপি না দিলে সেটাও আমাকে জানান।” পরে অসীম বলেন, “যে সব ভোটারের লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসি রয়েছে, তাঁরা নিজেদের নাম ভোটার তালিকায় রাখতে বহু তথ্য ও নথি জমা দিচ্ছেন। অথচ তার বদলে কোনও রিসিভড কপি দেওয়া হচ্ছে না। আমরা স্পষ্ট ভাবে দাবি করেছি, প্রতিটি নথির রিসিভড কপি দিতে হবে। ভবিষ্যতে কোনও ভোটারের সঙ্গে অন্যায় হলে, সেই কপির ভিত্তিতেই প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়া যাবে।”

উল্লেখ্য, শুক্রবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। ওই বৈঠকে তিনি নির্দেশ দেন, এসআইআর স্ক্রুটিনির দৈনিক রিপোর্ট কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কাছে জমা দিতে হবে। মেয়রই প্রতিদিন সেই রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীকে জানাবেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রথম পর্ব শেষে নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া তালিকায় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪৫ হাজার ভোটারের নাম বাদ পড়ে, যাদের বেশির ভাগকেই ‘মৃত’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এর আগেও গত ডিসেম্বর মাসে বিএলএ-দের নিয়ে বৈঠকে মমতা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, ‘আসল’ ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে নকল ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এসআইআরের শেষ পর্বে এসে সেই আশঙ্কাই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এল।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement