tmc

দেখা নেই কোনও গাড়ির, কার্যত স্তব্ধ মহানগরের পরিবহণ ব্যবস্থা

ব্রিগেড উপলক্ষে কী অবস্থা মহানগরের রাস্তাঘাটের?

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদন

শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:৪২
Share:

গাড়িঘোড়া নেই, মিছিলের জেরে স্তব্ধ পরিবহন ব্যবস্থা। —নিজস্ব চিত্র।

রাস্তায় গাড়ির বদলে সারি সারি মাথার সারি!

Advertisement

এই মুহূর্তে শহর কলকাতার ছবি ঠিক এমনটাই। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভারে ইতিমধ্যেই কানায় কানায় ভরে গিয়েছে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড।দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা মোদীবিরোধী জোটের প্রায় সব নেতাও পৌঁছে গিয়েছেন। কিছু ক্ষণ আগেই মঞ্চে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এই অবস্থায় কলকাতা শহরের রাস্তায় চোখ দিলেই মালুম এই মিছিলের জেরে মহানগরের পরিবহণ ব্যবস্থা কার্যত স্তব্ধ।

শনিবার ভোর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড় উপচে পড়ছিল শহরে। মিছিল ঢুকতে শুরু করে শহরের বেশ কয়েকটি ব্যস্ত রাস্তা ধরে। শহর কলকাতায় বাড়ছিল ট্রাফিকের চাপ। তবে সকাল থেকে ট্রাফিক ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চললেও যত সময় গড়িয়েছে ততই খিদিরপুর, হাওড়া, শিয়ালদহ, হাজরা,শ্যামবাজার, ইএম বাইপাস-সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে জনজোয়ার এসে মেশে ব্রিগেডে।

Advertisement

আরও পড়ুন: বিরোধী ঐক্যের সবচেয়ে ‘বড়’ ছবি তুলে ধরবে বদলের ব্রিগেড, নিশ্চিত মমতা

ধীরে ধীরে গোটা পরিবহণ ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে শহরের। কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সব গাড়িকেই আটকে দেওয়া হচ্ছে। কোনও কোনও রাস্তায় কয়েকটা বাইক ও ম্যাটাডোরের মতো ছোট গাড়িকে ঢুকতে দেওয়া হলেও কোনও বড় গাড়ির দেখা নেই শহর জুড়ে।

আরও পড়ুন: ব্রিগেড লাইভ: সমাবেশে জনজোয়ার, পৌঁছলেন মমতা

এমনকি, দেশের প্রায় নানা প্রান্ত থেকে এই মিছিলে যোগ দিতে আসা গাড়ির চাপে শহরের সব পার্কিং লটও পূরণ হয়ে গিয়েছে। নতুন করে গাড়ি রাখারও কোনও জায়গা নেই। বেশির ভাগ গাড়িই এ বার পার্ক করা হচ্ছে শহরের বাইরে।

হাওড়া, শিয়ালদহ বা ইএম বাইপাস থেকে এখনও যে সব গাড়ি ব্রিগেডমুখী তাদের মাঝ পথেই থামিয়ে জনতাকে সেখান থেকে হাঁটিয়ে আনার ব্যবস্থা করছে প্রশাসন। জলপথেও প্রচুর মানুষ আসছেন ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে। ফেরিঘাটেও জনতার চাপ রয়েছে এখনও সব ক’টি রাস্তার মোড়ে মোড়ে মোতায়েন রয়েছে ট্রাফিক পুলিশের বড়সড় বাহিনী।

(কলকাতা শহরের রোজকার ঘটনার বাছাই করাবাংলা খবরপড়তে চোখ রাখুন আমাদেরকলকাতাবিভাগে।)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement