TMC

বরাহনগরের পুর উদ্যানে গাছ কাটার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বরাহনগর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু রোডে রয়েছে বিধান শিশু উদ্যান। স্থানীয় সূত্রের খবর, পুরসভার তরফে ছোটদের জন্য ওই পার্কটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেটি ঝোপ-জঙ্গলে ভরে গিয়েছিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:১২
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

শিশুদের জন্য তৈরি একটি উদ্যানের বেশ কয়েকটি বড় গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠল শাসকদলের বিরুদ্ধে। বরাহনগরের ওই পার্কে গোড়া থেকে কাটা হয়েছে, এমন গাছের ভিডিয়ো (যার সত্যতা আনন্দবাজার পত্রিকা যাচাই করেনি) সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে সরব হয়েছে বিজেপি। এবং এই ঘটনার বিরুদ্ধে তাদের পুরসভা অভিযানের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন বিরোধী নেতৃত্ব। যদিও গাছ কাটার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতারা।

বরাহনগর পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দেশবন্ধু রোডে রয়েছে বিধান শিশু উদ্যান। স্থানীয় সূত্রের খবর, পুরসভার তরফে ছোটদের জন্য ওই পার্কটি তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেটি ঝোপ-জঙ্গলে ভরে গিয়েছিল। গত রবিবার বিজেপি নেতা সজল ঘোষ সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে অভিযোগ করেন, বরাহনগরের বিধায়কের ঘনিষ্ঠ এক যুবকের আয়োজিত গণেশ পুজোর প্রাঙ্গণ তৈরি করতে এবং পরবর্তী সময়ে প্রোমোটারদের হাতে তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা থেকেই শিশু উদ্যানের গাছ কাটা হয়েছে। সেখানে এসে সজল বলেন, ‘‘আমার পরিবারের কেউ গাছ কাটলে, তারও প্রতিবাদ করতাম। এখানে আবার গাছ লাগাব। এর প্রতিবাদে পুরসভা অভিযান করব।’’ ঘটনার প্রতিবাদে সরব সিপিএমের উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির সদস্য সানু রায় বলেন, ‘‘বহু বছরের পুরনো গাছ কেটে ফেলার প্রতিবাদে প্রয়োজনে আদালতে যাব।’’

বরাহনগর পুরসভা সূত্রের খবর, বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিল থেকে ওই উদ্যান সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। পুর চেয়ারপার্সন অপর্ণা মৌলিকের কথায়, ‘‘যত দূর জানি, ওখানে বড় ও দামি কোনও গাছ ছিল না। সংস্কারের প্রয়োজনে কিছু ঝোপ জাতীয় গাছ হয়তো কাটা হয়েছে।’’ গাছ কাটার অভিযোগ অস্বীকার করে বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘পুজোর জন্য গাছ কাটা বা মাঠ দখল করে খেলাধুলো বন্ধ করার কাজ তৃণমূল করে না। আর, বিজেপির জানা উচিত, পুরসভার সম্পত্তিতে প্রোমোটিং করা যায় না।’’ তাঁর আরও দাবি, ‘‘ঝোপজঙ্গলে ভরা পার্কটি নতুন ভাবে সাজানো হচ্ছে। সেখানে বাচ্চাদের ফুটবল, ক্রিকেট প্রশিক্ষণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। গাছ লাগানোর প্রচার আমি নিজেই করছি। সেখানে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন