নবান্নের অদূরেই রমরমিয়ে চলছিল খাটাল। সেখানেই অরক্ষিত পাতকুয়োয় নেমে বিষাক্ত গ্যাসে মৃত্যু হল দুই যুবকের। মঙ্গলবার, হাওড়ার শালিমারের কাছে ডিউক রোডে।
মৃতদের নাম যোগেন্দ্র যাদব (৩৪) ও মন্টু সিংহ। পুলিশ জেনেছে, পাতকুয়োয় পড়ে যাওয়া বালতি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনা। হাওড়া পুর-এলাকায় কী ভাবে ওই খাটাল চলছিল এবং অরক্ষিত কুয়ো থাকা সত্ত্বেও কেন পুরসভার নজরদারি ছিল না, প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরোধী দলগুলি। পুরসভা অবশ্য সদুত্তর দিতে পারেনি।
পুলিশ জানায়, জল তুলছিলেন যোগেন্দ্র। খাটালের মালিক মন্টু ছিলেন পাশেই। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বালতিটি কুয়োয় পড়ে গেলে মন্টু যোগেন্দ্রকে তুলে আনতে বলেন। কুয়োয় নেমে অসুস্থ হয়ে পড়েন যোগেন্দ্র। তাঁকে উদ্ধার করতে নেমে অসুস্থ হয়ে পড়েন মন্টুও। এক বাসিন্দা সন্তোষ যাদব বলেন, ‘‘পুলিশের সাহায্যে স্থানীয় এক যুবক কুয়ো থেকে দেহ দু’টি তোলেন।’’
পুরসভার বিজেপি কাউন্সিলর গীতা রাইয়ের প্রশ্ন, ‘‘পুর-এলাকায় যেখানে খাটালই নিষিদ্ধ, সেখানে নবান্নের কাছে ওই খাটাল ও অরক্ষিত পাতকুয়ো থাকে কী ভাবে?’’ হাওড়ার মেয়র রথীন চক্রবর্তী বলেন, ‘‘খাটালের বিরুদ্ধে প্রায়ই অভিযান চলে। কী ভাবে অরক্ষিত পাতকুয়ো সমেত ওই খাটালটি চলছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে।’’