Road Accident

বেপরোয়া দুই বাইকের সংঘর্ষে মৃত্যু দুই চালকের

মঙ্গলবার চিৎপুর থানায় গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত দু’টি বাইক ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কামারহাটি থেকে আসাদের প্রতিবেশীরা এসেছেন। তাঁরা জানান, হেলমেট থাকলে হয়তো মৃত্যু এড়ানো যেত।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ জুন ২০২৬ ০৭:৫৭
Share:

—প্রতীকী চিত্র।

বেপরোয়া দু’টি মোটরবাইকের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন দুই চালক। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম শেখ ফৈয়াদ (২৮) ও আসাদ জিয়া (১৭)। ফৈয়াদের বাড়ি চিৎপুর লকগেটে, আসাদের বাড়ি কামারহাটিতে। দুর্ঘটনায় আহত এক বাইক-আরোহী গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পুলিশ জানিয়েছে, কামারহাটির একটি স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র আসাদ সোমবার রাতে কাশীপুরে একটি বিয়েবাড়িতে যাবে বলে রাত ১০টা নাগাদ মোটরবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। ফৈয়াদ ও আসাদ পরস্পরের পরিচিত। তদন্তকারীরা জানান, বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার সময়ে আসাদের বাইকের পিছনে বসেছিলেন শেখ ইফতিকার নামে স্থানীয় এক যুবক। পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ আসাদ মোটরবাইক চালিয়ে টালা সেতু ধরে পাইকপাড়ার দিকে যাচ্ছিল। সে সময়ে ফৈয়াদ মোটরবাইক চালিয়ে পাইকপাড়া মোড়ে বিটি রোড পেরোচ্ছিলেন। পুলিশের অনুমান, দু’জনের মধ্যে রেষারেষির জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কারণ, দুই মোটরবাইক চালক পরস্পরের পরিচিত। ঘটনাক্রমে দু’জন একই সময়ে পরস্পরকে ধাক্কা মারেন। আসাদ, ফৈয়াদ ও ইফতিকার— কারও মাথাতেই হেলমেট ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ। আসাদ টালা সেতু ধরে পাইকপাড়ার মোড়ে আসতেই ফৈয়াদের বাইককে এক পাশ থেকে সজোরে গিয়ে ধাক্কা মারে তার বাইক। ধাক্কার অভিঘাতে ফৈয়াদ কিছুটা দূরে ছিটকে পড়েন। রাস্তায় ছিটকে পড়েন বাকি দু’জনও। তিন জনের মাথা থেকে প্রবল রক্তপাত হতে থাকে। খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ এসে তিন জনকে উদ্ধার করে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ফৈয়াদ ও আসাদকে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ইফতিকারের অবস্থা গুরুতর বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার চিৎপুর থানায় গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনাগ্রস্ত দু’টি বাইক ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কামারহাটি থেকে আসাদের প্রতিবেশীরা এসেছেন। তাঁরা জানান, হেলমেট থাকলে হয়তো মৃত্যু এড়ানো যেত। ফৈয়াদ একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন। এ দিন ঘটনাস্থলে দেখা গেল, একাধিক বাইকচালক হেলমেটহীন অবস্থায় চলাচল করছেন। ঘটনাস্থলে কোনও পুলিশকর্মীরও দেখা মেলেনি।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন