কাজের পরেও মেরামতি হয়নি রাস্তা, নিত্য দুর্ভোগ

তুন নিকাশি ব্যবস্থার জন্য বজবজ পুরসভার বিস্তীর্ণ অংশে পাইপ বসানোর কাজ চলছে। এই প্রকল্পে বাড়ি থেকে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি পাইপের মাধ্যমে পরিশোধনাগারে চলে যাবে। কাজটি করছে কেএমডিএ। বেশ কয়েক জায়গায় পাইপ বসানোর কাজ হয়েও গিয়েছে।

Advertisement

সুপ্রিয় তরফদার

শেষ আপডেট: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ ০১:০৫
Share:

এ পথেই যাতায়াত। ছবি: অরুণ লোধ

তুন নিকাশি ব্যবস্থার জন্য বজবজ পুরসভার বিস্তীর্ণ অংশে পাইপ বসানোর কাজ চলছে। এই প্রকল্পে বাড়ি থেকে শৌচাগারের বর্জ্য সরাসরি পাইপের মাধ্যমে পরিশোধনাগারে চলে যাবে। কাজটি করছে কেএমডিএ। বেশ কয়েক জায়গায় পাইপ বসানোর কাজ হয়েও গিয়েছে। কিন্তু তার পরেও রাস্তা চলাচলের উপযোগী করা হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে।

Advertisement

বজবজ পুরসভা সূত্রের খবর, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের যৌথ প্রকল্প ‘সিটি স্যুয়ারেজ প্ল্যান’-এর কাজ শুরু হয়েছে। ওই প্রকল্পের ফলে পুর এলাকার বাড়ি বাড়ি থেকে মল-মূত্র চলে হবে পরিশোধনাগারে। পরিশোধিত হয়ে তা চলে যাবে প্রধান নর্দমায়। সম্প্রতি এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে। কাজ শেষ হতে তিন বছর লাগবে। কিন্তু তত দিন রাস্তাগুলি এ অবস্থায় থাকলে চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

পুরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাজে কালীনগরে পাইপ বসানোর কাজ হওয়ায় পরে ইট চাপা দেওয়া হয়েছে। এখন কোনওমতে হাঁটাচলা করা গেলেও বর্ষায় চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। মোটরবাইক বা সাইকেল নিয়ে গেলেই চাকা বসে যাচ্ছে।

Advertisement

প্রায় একই ছবি ২০ নম্বর ওয়ার্ডেরও। নিকাশির কাজ করতে গিয়ে পুরনো নর্দমা ভেঙে গিয়েছে। সাধারণ মানুষের দাবি, রাস্তাটি অন্তত হাঁটাচলা উপযুক্ত করে দেওয়া উচিত। স্থানীয় বাসিন্দা রমা মণ্ডল বলেন, ‘‘উন্নয়নের জন্য ঝক্কি পোহাতে রাজি। কিন্তু একেবারেই হাঁটা যাচ্ছে না। অন্তত হাঁটাচলার ব্যবস্থা হোক।’’

যদিও ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অভিষেক সাউ জানান, এলাকার বহু রাস্তায় ইট পেতে দেওয়া হয়েছে। ১৫ এবং ২০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় ৬০ শতাংশ কাজ হয়ে গিয়েছে। এর পরে রাস্তা হাঁটাচলার উপযুক্ত করে দেওয়া হবে। কিন্তু তিন বছর আগে পাকাপাকি ভাবে রাস্তা সারানো মুশকিল। কারণ, বাড়ির শৌচাগারগুলিকে পাইপের সঙ্গে সংযুক্ত করতে গেলে আবার রাস্তা খুঁড়তে হবে। তাই এখনই পাকাপাকি ভাবে মেরামত করা সম্ভব নয়। কিছু দিন ঝক্কি পোহাতে হবেই। আশা করছি বাসিন্দারা সেটা হাসি মুখে মেনে নেবেন।’’

Advertisement

পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তৃণমূলের গৌতম দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘যে অর্থ বরাদ্দ হয়েছে তাতেই রাস্তা সারাইয়ের খরচ ধরা আছে। কিন্তু ঘরে ঘরে সংযোগ হওয়ার আগে রাস্তা সারাই করে লাভ নেই। তাই অপেক্ষা করা হচ্ছে। বাসিন্দাদের অসুবিধা হচ্ছে জানি। উন্নয়নের জন্য কিছুটা অসুবিধা সহ্য করতে হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement