এসি বাসের জানলা কেন বিজ্ঞাপনে ঢাকা, প্রশ্ন আদালতের

শহরের বাতানুকূল বাসের জানলার কাচে ঢালাও বিজ্ঞাপন ফের একটি নির্ভয়া-কাণ্ড ঘটাতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন উঠল কলকাতা হাইকোর্টে। এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় শুক্রবার ওই প্রশ্ন তোলে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০০:২৭
Share:

শহরের বাতানুকূল বাসের জানলার কাচে ঢালাও বিজ্ঞাপন ফের একটি নির্ভয়া-কাণ্ড ঘটাতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন উঠল কলকাতা হাইকোর্টে। এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার দায়ের করা জনস্বার্থ মামলায় শুক্রবার ওই প্রশ্ন তোলে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লুর ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি রাজ্যের জিপি-র উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, ‘‘বিজ্ঞাপন নিয়ে কোনও নীতি কি এ রাজ্যের রয়েছে? মুম্বই-সহ কয়েকটি রাজ্যে কিন্তু বিজ্ঞাপন নিয়ে নীতি রয়েছে।’’ এ ব্যাপারে ছ’সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা দিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

Advertisement

এ দিন শুনানিতে আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, শহরের বিভিন্ন এসি বাসের কাচের জানলা বিজ্ঞাপনে মুড়ে দেওয়া হচ্ছে। বাইরে থেকে বাসের ভিতরটা দেখা যাচ্ছে না। ভিতরে কী ঘটছে, তা পথচারীরা জানতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে যে কোনও দিন নির্ভয়া-কাণ্ডের মতো ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সব্যসাচীবাবু জানান, বহির্জগতের বিজ্ঞাপন নিয়ে এ রাজ্যে কোনও নীতি নেই। সেই নীতি জরুরি সাধারণের জন্য। রাজ্যের জিপি প্রধান বিচারপতিকে জানান, এ ব্যাপারে পুরসভা নীতি তৈরি করতে পারে।

বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জিপি-র উদ্দেশে বলেন, ‘‘এ ভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়া পরিবহণ আইনের বিরোধী হতে পারে। বাসের যাত্রীরা তেমন হলে বিপদ এড়াতে ঝাঁপ দিয়ে বাঁচতে পারেন।’’

Advertisement

এর আগেও শহরে যত্রতত্র হোর্ডিং লাগানো নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি। এ দিন ফের হোর্ডিংয়ের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ‘‘আমার তো মনে হয়, ৩০ শতাংশ পথ দুর্ঘটনার কারণ হোর্ডিং। শহর হোর্ডিংয়ে ছেয়ে যাচ্ছে।’’

প্রধান বিচারপতি হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারকে কলকাতা স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন, কলকাতা ট্রাম কোম্পানি, নর্থবেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন, সাউথ বেঙ্গল স্টেট ট্রান্সপোর্ট কপোর্রেশন ও রাজ্য ভূতল পরিবহণ সংস্থাকে এই মামলায় যোগ করতে নির্দেশ দেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement