টুকরো খবর

গার্ডেনরিচে সাব-ইনস্পেক্টর তাপস চৌধুরী খুনের মামলার চার্জ গঠন পিছিয়ে গেল। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শেখ সুভানের তরফে সোমবার কোনও আইনজীবী হাজির না থাকায়, আদালত চার্জ গঠন করতে পারেনি। অভিযুক্তদের মধ্যে একমাত্র শেখ সুভানই এখনও জেল হাজতে। এই মামলায় জামিনে মুক্ত কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও তৃণমূলের নেতা মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না-সহ ৭জন অভিযুক্ত এ দিন আলিপুরে দ্বিতীয় ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে হাজির হন।

Advertisement
শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০১৪ ০০:৪৭
Share:

পিছোল মামলার চার্জ গঠন

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

গার্ডেনরিচে সাব-ইনস্পেক্টর তাপস চৌধুরী খুনের মামলার চার্জ গঠন পিছিয়ে গেল। এই ঘটনায় অভিযুক্ত শেখ সুভানের তরফে সোমবার কোনও আইনজীবী হাজির না থাকায়, আদালত চার্জ গঠন করতে পারেনি। অভিযুক্তদের মধ্যে একমাত্র শেখ সুভানই এখনও জেল হাজতে। এই মামলায় জামিনে মুক্ত কলকাতা পুরসভার ১৫ নম্বর বরোর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও তৃণমূলের নেতা মহম্মদ ইকবাল ওরফে মুন্না-সহ ৭জন অভিযুক্ত এ দিন আলিপুরে দ্বিতীয় ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে হাজির হন। জেল হাজত থেকে আনা হয় অভিযুক্ত সুভানকেও। বিচারক গৌরসুন্দর বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযুক্ত সুভানের তরফে এক আইনজীবী নিয়োগের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগামী ২০ মে ফের চার্জ গঠনের দিন ধার্য হয়েছে। জামিনে মুক্ত ৮ জনের মধ্যে ১ অভিযুক্ত অবশ্য এ দিন গরহাজির ছিল। পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৩-র ১২ ফেব্রুয়ারি গার্ডেনরিচের হরিমোহন ঘোষ কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তাপস চৌধুরীর। অভিযুক্তদের আইনজীবী অরিন্দম দাস এ দিন জানান, ওই ঘটনায় হত্যার চেষ্টা-সহ আরও কয়েকটি অভিযোগে একটি অন্য মামলা রয়েছে। এখনও কয়েক জন অভিযুক্ত ফেরার। তাদের বিরুদ্ধে আদালতের পক্ষ থেকে হুলিয়া জারি বহাল রয়েছে।

Advertisement

রেস্তোরাঁয় আগুন, আতঙ্ক

আগুন লাগল কৈখালির একটি রেস্তোরাঁয়। সোমবার ভোরের আগুনে ওই হোটেল ও রেস্তোরাঁর একটি ঘরের জিনিসপত্র কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হোটেল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথমে একটি ঘরের এসি থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখেন কয়েক জন কর্মী। তার পরেই দেখা যায়, এসি দাউ দাউ করে জ্বলছে। আগুন নেভাতে প্রথমে হাত লাগান স্থানীয়েরাই। আবাসিকেরা আতঙ্কে বাইরে বেরিয়ে আসেন। দমকলের একটি ইঞ্জিন আধ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভায়। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখছে দমকল।

সোনা আটক, ধৃত

দু’পায়ে মোজার মধ্যে লুকিয়ে সোনা আনতে গিয়ে ধরা পড়লেন কলকাতার বাসিন্দা মহম্মদ ওয়াসিম। রবিবার রাতে তাই এয়ারওয়েজের উড়ানে তিনি ব্যাঙ্কক থেকে শহরে আসেন। শুল্ক অফিসারদের সন্দেহ হওয়ায় তল্লাশি করা হয়। শুল্ক দফতর সূত্রে খবর, প্রাপ্ত চার টুকরো সোনার ওজন ৯৯৯ গ্রাম। দাম ২৯ লক্ষ ৯৯ হাজার টাকা।

শিমূল তুলোর সাজ। সোমবার। ছবি: বিশ্বনাথ বণিক।

মিস্টার মমতা

দমদম রোডে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচারে। ছবি: শৌভিক দে।

ভ্রম সংশোধন

৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার কলকাতার পাতায় প্রকাশিত “যা খাচ্ছেন তা ‘খাদ্য’ কি না, ভাবুন” প্রতিবেদনে মেটানিল ইয়েলো সীসা এবং ম্যালাকাইট গ্রিন লেড, কপার এবং ক্রোমিয়াম দিয়ে তৈরি বলা হয়েছিল। এই দুই উপাদানই এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। এদের মধ্যে কোনও ধাতব উপাদান থাকে না। তবে দু’টি উপাদানই শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। এদের ধারাবাহিক ব্যবহারে ক্যানসারের সম্ভাবনা থাকে। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement