টুকরো খবর

আয়লার পরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী, ক্যানিং ও লক্ষ্মীকান্তপুর এলাকা থেকে ২৫টি বাচ্চাকে এনে একটি ‘হোম’ খুলেছিলেন বছর ষাটেকের এক প্রৌঢ়। ২০০৯ সাল থেকে ওই বাচ্চাদের নিয়ে শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি ভাড়া নিতেন তিনি।

Advertisement
শেষ আপডেট: ০৪ জুলাই ২০১৪ ০০:৩৪
Share:

জরুরি নথি নেই, উধাও ‘হোমের কর্তা’

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

আয়লার পরে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী, ক্যানিং ও লক্ষ্মীকান্তপুর এলাকা থেকে ২৫টি বাচ্চাকে এনে একটি ‘হোম’ খুলেছিলেন বছর ষাটেকের এক প্রৌঢ়। ২০০৯ সাল থেকে ওই বাচ্চাদের নিয়ে শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় বাড়ি ভাড়া নিতেন তিনি। তাদের খাওয়া-পরা ও পড়াশোনার দায়িত্বও নিয়েছিলেন তিনি। শেষে ‘হোম’টির ঠিকানা হয় পঞ্চসায়র থানা এলাকার বি ৩৮ বাঘা যতীন পার্ক। সম্প্রতি স্থানীয় বাসিন্দা অরূপ ঘোষের কাছ থেকে নির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়ে কলকাতা শিশুকল্যাণ সমিতির কর্মীরা গিয়ে দেখেন, হোম চালানোর জন্য সরকারি কোনও কাগজই নেই ওই ব্যক্তির। তা ছাড়া, সেখানে আইন বহির্ভূত ভাবে ছেলেমেয়েদের এক সঙ্গে রাখা হয়েছে। সে দিনই ৭টি মেয়েকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে শিশুকল্যাণ সমিতি। ওই প্রৌঢ়কে সমিতিতে ডাকা হলে তিনি রেজিস্ট্রেশন ছাড়া হোম চালানোর কোনও কাগজ দেখাতে পারেননি। এর পরেও আইনি কাগজপত্রের জন্য আবেদন করার সময় দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। তিনি তা-ও না করায় শিশুকল্যাণ সমিতি ফের তাঁকে ডেকে পাঠায়। কিন্তু অভিযোগ, তার আগেই ওই ব্যক্তি ২৮ জুন কাউকে কিছু না বলে চলে যান। নারী-শিশুকল্যাণ ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা বুধবার রাতেই বাকি বাচ্চাদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। এর পরে পুলিশ ও বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীরা গিয়ে ১০টি ছেলেকে উদ্ধার করেন। বাকিরা নিখোঁজ। হোমটির রেজিস্টারও মেলেনি। ওই বাচ্চারা জানিয়েছে, এক মাস তাদের ঠিক মতো খাওয়া জোটেনি। স্কুলে যাওয়াও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। মন্ত্রী শশী পাঁজা ওই বাচ্চাদের বাড়ির খোঁজ করে নিরাপদে তাদের পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শিশুকল্যাণ সমিতিকে।

Advertisement

আদিগঙ্গার দায়িত্ব পেল পুরসভা

আদিগঙ্গার (টালিনালা) পুরোটা গিয়েছে কলকাতার মধ্য দিয়ে। তাই এর সৌন্দর্যায়ন ও দেখভালের পুরো দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরসভার হাতে। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় তৃণমূলের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের করা এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান সেচমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আদিগঙ্গা এত দিন সেচ দফতরের অধীন ছিল। তাই মুখ্যমন্ত্রীর আগ্রহে টালির নালার পাড় বাঁধানো, সৌন্দর্যায়নের কাজ করেছে সেচ দফতর। এখন পুরসভাকে দায়িত্ব দেওয়ার কারণ, এটি গিয়েছে কলকাতার ভিতর দিয়ে। তা ছাড়া শহরের বর্জ্য সরাতে ছ’টি নিকাশি শোধন কেন্দ্রও আছে পুরসভার অধীনে। শোভনবাবু অভিযোগ করেন, টালিনালার জল কালো, পচাপাঁকে ভর্তি। দুর্গন্ধে মানুষ থাকতে পারছেন না। সেচ দফতর কি ওই নালা সংস্কারের ব্যবস্থা করবে? উত্তরে সেচমন্ত্রী জানান, আদিগঙ্গা তথা টালির নালা সংস্কারের কাজ শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

অনশনে অসুস্থ ৩

স্কুলশিক্ষক পদপ্রার্থীদের অনশনের ষষ্ঠ দিন, বৃহস্পতিবারে তিন জন অসুস্থ হয়ে পড়েন। সন্ধ্যায় তাঁদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেন সঙ্গীরা। ছাত্র ঐক্য সংগ্রাম মঞ্চের সভাপতি প্রদ্যোত হালদার জানান, অসুস্থেরা হলেন সইদুল ইসলাম, অশ্রুরেখা মণ্ডল ও টিঙ্কু বিশ্বাস। তাঁদের মধ্যে টিঙ্কুকে প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। স্কুল সার্ভিস কমিশন বা এসএসসি-র চূড়ান্ত মেধা-তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি না-হওয়ায় বেশ কিছু শিক্ষক পদপ্রার্থী কলেজ স্কোয়ারে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন।

পিছোল চার্জ গঠন

গার্ডেনরিচে এসআই তাপস চৌধুরী খুনের মামলায় এক অভিযুক্ত আদালতে গরহাজির থাকায় চার্জ গঠন পিছিয়ে গেল। বিচারপতি গৌরসুন্দর বন্দ্যোপাধ্যায় চার্জ গঠনের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন ২৩ জুলাই। গরহাজির ছিলেন সিরাজ নামে এক অভিযুক্ত।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement