অভিযুক্তদের আত্মসমর্পণ
নিজস্ব সংবাদদাতা
সম্পত্তির লোভেই খুন হয়েছিলেন পাটুলির বাসিন্দা সুজিত চৌধুরী। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে একে আত্মহত্যা বলে চালাতে চেয়েছিল অভিযুক্তরা। খুনের মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা দীপক মণ্ডলকে জেরা করে তা জেনেছেন তদন্তকারীরা। পুলিশ জানায়, আলিপুর আদালতে শনিবার খুনের এক বছর পর আত্মসমর্পণ করে দীপক এবং তার ছেলে সৌমেন মণ্ডল। এর পরেই বিচারক ওই দুজনকে পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। ২০১৩-র ১১ জুন নিজের ঘরে গলার নলি কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সুজিতবাবুকে। দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। প্রথমে আত্মহত্যা ভাবলেও ময়না-তদন্তে পুলিশ জানতে পারে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে বৃদ্ধকে। শ্বাসরোধের পর তাঁর গলার নলি কাটে দীপক ও তার ছেলে সৌমেন। পুলিশ জানায়, সুজিত বাড়িতে একা থাকতেন। তাঁর দেখভাল করত প্রতিবেশী দীপক। জেরায় জানা গিয়েছে, গড়িয়ায় একটি বাড়ি কিনেছিলেন সুজিতবাবু। পুলিশের দাবি, দীপকের ধারণা ছিল, সুজিত বাড়িটি তার নামে লিখে দেবেন। তা না করায় তাঁকে খুন করে দীপক ও তার ছেলে। বাড়ির দরজা এমন ভাবে বন্ধ করা হয় যাতে মনে হয়, সুজিত ভিতর থেকে বন্ধ রেখেছেন।
বাসের চাকায় পিষে খিদিরপুরে মৃত স্কুলছাত্র
সল্টলেকের দুর্ঘটনায় ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পরে ফের একই রকম ঘটনা ঘটল খিদিরপুরে ওয়াটগঞ্জে। ওই ঘটনায় মৃত ছাত্রের বাবার অভিযোগে অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা শুরু করল পুলিশ। শুক্রবার রাতে ওয়াটগঞ্জ থানার ডায়মন্ড হারবার রোডে সেন্ট টমাস স্কুলের সামনে বাসের ধাক্কায় গুরুতর জখম হয় প্রীতম দে (১৪) নামে এক ছাত্র। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে বাড়ি ফেরার সময়ে আচমকাই রাস্তা পেরোতে গিয়ে একটি বাসের চাকায় পিষ্ট হয় সে। প্রীতমকে প্রথমে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ এবং পরে এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শনিবার রাতে ছেলেটির বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বাস-সহ চালক পলাতক।
ব্রিফকেসে অস্ত্র
দোকানের সামনে থেকে উদ্ধার হল অস্ত্র-ভর্তি ব্রিফকেস। রবিবার, বেনিয়াপুকুর থানার বেনিয়াপুকুর বাজারে। পুলিশ জানিয়েছে, সকালে ওই বাজারে একটি মাংসের দোকানে কেউ একটি ব্রিফকেস ফেলে যান। বহুক্ষণ পরেও কেউ সেটি না নেওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ব্রিফকেসটি নিয়ে থানায় যায়। সেটি খুলে দেখা যায়, তাতে রয়েছে একটি ওয়ান শটার, ১৪টি নাইনএমএম পিস্তলের গুলি, ১২টি দু’নলা বন্দুকের গুলি এবং দু’প্যাকেট বিস্ফোরক। পুলিশ সূত্রে খবর, একমাস আগেও ওই দোকানে এক দুষ্কৃতী গুলি চালিয়েছিল। তাতে আহত হয়েছিলেন একজন।
অস্বাভাবিক মৃত্যু
অস্বাভাবিক মৃত্যু হল এক প্রৌঢ়ের। রবিবার, আনন্দপুর থানার নোনাডাঙায়। মৃতের নাম কৃষ্ণ হালদার (৪৫)। তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি। পুলিশ জানায়, কৃষ্ণবাবুর স্ত্রী কয়েক দিন আগে রায়দিঘিতে তাঁর বাপের বাড়ি যান। তার পর থেকে একাই ছিলেন কৃষ্ণবাবু। এ দিন তাঁকে ডাকতে গিয়ে এক প্রতিবেশী দেখেন, টালির চালের বাঁশ থেকে ঝুলছেন তিনি। পুলিশ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়নি।
গয়না চুরি, ধৃত
পাড়ার এক বাড়ি থেকে চুরি করে গ্রেফতার হল দুষ্কৃতী। শনিবার, প্রগতি ময়দানের হাতগাছিয়া থেকে। ধৃত সঞ্জয় দাস রাজারঘাট নতুনপাড়া ঢিপির বাসিন্দা। শুক্রবার থানায় অভিযোগে নাজমা বিবি নামে এলাকারই এক মহিলা জানান, তাঁর বাড়ি থেকে কয়েক হাজার টাকার সোনা-রুপোর গয়না উধাও। নাজমা পরিচারিকার কাজ করেন। তদন্তে পুলিশ এলাকারই বাসিন্দা সঞ্জয় দাসকে গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে বেশ কিছু গয়না উদ্ধার হয়েছে।
বাঘ-বন্দি
বাসা বদল। রবিবার, দক্ষিণ কলকাতায়। ছবি: সুমন বল্লভ।