দমদমে ফাঁকা বাড়িতে চুরি, ধৃত ১

ফের দিনেদুপুরে খালি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটল। মঙ্গলবার দুপুরে দমদমের পি কে গুহ রোডের এয়ারপোর্ট এক নম্বর গেটের কাছে একটি বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনেদুপুরেই যদি এমন ঘটনা ঘটে তবে কোন ভরসায় তারা প্রয়োজনে বাড়ি ছেড়ে রাতে অন্যত্র থাকবেন। যদিও ব্যারাকপুর কমিশনারেটের আধিকারিকদের দাবি, আগের তুলনায় চুরি-ডাকাতি অনেক কমে গিয়েছে। কিছু ঘটনার কিনারাও হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই ঘটনারও দ্রুত কিনারা হয়ে যাবে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৫ জুন ২০১৪ ০০:২৭
Share:

ফের দিনেদুপুরে খালি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটল। মঙ্গলবার দুপুরে দমদমের পি কে গুহ রোডের এয়ারপোর্ট এক নম্বর গেটের কাছে একটি বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অভিযোগ, দিনেদুপুরেই যদি এমন ঘটনা ঘটে তবে কোন ভরসায় তারা প্রয়োজনে বাড়ি ছেড়ে রাতে অন্যত্র থাকবেন। যদিও ব্যারাকপুর কমিশনারেটের আধিকারিকদের দাবি, আগের তুলনায় চুরি-ডাকাতি অনেক কমে গিয়েছে। কিছু ঘটনার কিনারাও হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই ঘটনারও দ্রুত কিনারা হয়ে যাবে।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পি কে গুহ রোডের বাসিন্দা সাগর পোদ্দারের মা সরস্বতী পোদ্দার, বোন ঊর্মি পোদ্দার ও তাঁর এক মাসতুতো ভাই দুর্গানগরে এক আত্মীয়ের বাড়িতে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। দুপুরে রোজ বাড়িতে খেতে আসেন সাগরবাবু। তিনি এয়ারপোর্ট দু’নম্বর গেটের কাছে একটি হোটেলে চাকরি করেন। প্রতি দিনের মতো এ দিনও তিনি চারটে নাগাদ বাড়িতে আসেন। কিন্তু তালা খুলেও দরজা খুলতে পারছিলেন না। সাগরবাবু বলেন, “পিছনের দরজার দিকে যেতেই দেখি সেই দরজার পাল্লা খোলা। ওই দরজা দিয়ে ঢুকে দোতলায় উঠে দেখি দু’জন ঘরে লুঠপাট চালাচ্ছে। আমাকে দেখে এক জন আমার গলা টিপে ধরে।”

সাগরবাবু আরও জানান, দুষ্কৃতী তাঁর গলা চেপে ধরলেও সেই অবস্থায় তিনি এক জনের পেটে লাথি মারেন। পড়ে যায় ওই দুষ্কৃতী। সাগরবাবু ‘চোর চোর’ বলে চিৎকার করতে শুরু করলে দুষ্কৃতীরা পালায়। সাগরবাবুও ধাওয়া করেন। তখন সামনেই রাস্তা তৈরির কাজ করছিলেন কয়েক জন শ্রমিক। তাঁরাই এক দুষ্কৃতীকে ধরে ফেলেন। তবে পুলিশ জানিয়েছে, গোপাল দাস নামে যে দুষ্কৃতী ধরা পড়েছে তার কাছে লুঠের টাকা-গয়না ছিল না।

Advertisement

সাগরবাবু পুলিশকে জানান, প্রায় দেড় লক্ষ টাকা, কুড়ি ভরি সোনার গয়না, কয়েকশো ডলার ও পাউন্ড খোয়া গিয়েছে। পরে তিনি দমদম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রশ্ন উঠেছে এত টাকা-গয়না কেন রেখেছিলেন পোদ্দার পরিবারের সদস্যেরা? উর্মিদেবী বলেন, “সম্প্রতি আমাদের এক আত্মীয়ের বিয়ে ছিল। সে জন্যই গয়না বাড়িতে ছিল। আমার বড় দাদা বিদেশে কর্মরত। সেই সূত্রে বাড়িতে কিছু ডলার ও পাউন্ডও ছিল।”

ব্যারাকপুর কমিশনারেটের এডিসি সুরেশ চাটভি বলেন, “এক দুষ্কৃতী ধরা পড়েছে। ধৃতকে জেরা করে পালিয়ে যাওয়া দুষ্কৃতীর সন্ধান চলছে।” গোপালকে এ দিন ব্যারাকপুর আদালত সাত দিন পুলিশি হেফাজত দিয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement