SIR in West Bengal

ভিন্‌রাজ্য থেকে বিচারক এনে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর শেষ করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট! ভাষা বুঝতে পারা নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যের

মঙ্গলবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতির এজলাস বসার পরে প্রথমেই ওঠে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মামলা। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে চলে শুনানি। রাজ্যে এসআইআর-এর কাজের জন্য ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারক নিয়ে আসার কথা বলেন প্রধান বিচারপতি।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫০
Share:

সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানি। —ফাইল চিত্র।

না-জানলেই নয়
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২৮ key status

কী কী হল সুপ্রিম কোর্টে

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজে তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাই এবং তা নিষ্পত্তি করার দায়িত্ব ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের। মঙ্গলবার এ বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির একটি রিপোর্ট জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, হাই কোর্ট জানিয়েছে এই কাজের জন্য পর্যাপ্ত লোকের অভাব রয়েছে। প্রতি দিন ২৫০টি করে নিষ্পত্তি করলেও, প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে।

প্রধান বিচারপতি আরও জানান, পুরো পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অবসরপ্রাপ্তদের পাশাপাশি ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারকদের নেওয়া যাবে। ওই দুই রাজ্যের হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে এই বিষয়ে সাহায্য করার জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।

তবে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন,  অন্য রাজ্য থেকে বিচারক এলে তাঁরা বাংলা বুঝতে পারবেন না। তবে প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, “এই অবস্থায় আমাদের কিছু করার নেই। ইতিহাস বলছে এক সময় ওই রাজ্যগুলি একই প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ ছিল। তাই স্থানীয় উপভাষা বা ভাষার ধরন থেকে কিছুটা বুঝতে পারবেন”।

প্রধান বিচারপতি কান্ত রাজ্যে এসআইআর-এর কাজ প্রসঙ্গে বলেন, প্রায় ৮০ লক্ষ তথ্যগত অসঙ্গতি এবং আনম্যাপড তালিকা রয়েছে। এর মধ্যে জেলা বিচারক ও অতিরিক্ত জেলা বিচারক পদমর্যাদার ২৫০ জন বিচারবিভাগীয় অফিসারকে প্রায় ৫০ লক্ষ দাবি যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

এই পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য প্রধান বিচারপতি জানান, নথি যাচাইয়ের এই কাজে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি তিন বছর বা তার বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিভিল জজ (সিনিয়র ও জুনিয়র ডিভিশন) পদমর্যাদার অফিসারদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিদেরও তিনি অনুরোধ করেন, কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কোনও আবেদন এলে তা সহানুভূতির সঙ্গে ও জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে।

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২০ key status

কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ীই যাচাইয়ের কাজ

প্রধান বিচারপতি বলেন, “যাচাই প্রক্রিয়া হবে নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী। ১৪ ফেব্রুয়ারির আগে জমা পড়া নথিই গ্রহণ করা হবে। যে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশিত হবে, তা-ও ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তালিকা হিসাবেই ধরা হবে।”

Advertisement
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১২ key status

ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের হাই কোর্টকে বার্তা

ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিদের উদ্দেশে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি অনুরোধ করেন, কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কোনও আবেদন এলে তা সহানুভূতির সঙ্গে এবং জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনা করতে হবে।

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১০ key status

কত তথ্য যাচাই বাকি?

প্রধান বিচারপতি বলেন, “প্রায় ৮০ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি এবং আনম্যাপড তালিকা রয়েছে। এর মধ্যে জেলা বিচারক এবং অতিরিক্ত জেলা বিচারক পদমর্যাদার ২৫০ জন বিচার বিভাগীয় অফিসারকে প্রায় ৫০ লক্ষ দাবি যাচাইয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই কাজে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি তিন বছর বা তা বেশি সময়ের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন সিভিল জজ (সিনিয়র ও জুনিয়র ডিভিশন) পদমর্যাদার অফিসারদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।”

Advertising
Advertising
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৫ key status

কমিশনের সওয়াল

কমিশনের আইনজীবী সওয়াল করেন, অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের কোনও সময়সীমা নেই। মনোনয়ন জমা দেওয়ার পরেও এই তালিকা প্রকাশ করা যেতে পারে। ফলে হাতে অতিরিক্ত সময় থাকছে। কমিশনের আইনজীবীর মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিচারপতি বাগচী বলেন, “পরে যে সব তালিকা প্রকাশিত হবে সেগুলিকে ২৮ তারিখের তালিকা হিসাবেই ধরা হবে। ব্যক্তির অগ্রাধিকার এবং কমিশনের পবিত্রতা বজায় রাখতে হচ্ছে।”

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৩ key status

আমাদের কিছু করার নেই: সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম কোর্টের এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সওয়াল করেন, অন্য রাজ্য থেকে বিচারক এলে তাঁরা বাংলা বুঝতে পারবেন না। তবে প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই অবস্থায় আমাদের কিছু করার নেই। ইতিহাস বলছে এক সময় ওই রাজ্যগুলি একই প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ ছিল। তাই স্থানীয় উপভাষা বা ভাষার ধরন থেকে কিছুটা বুঝতে পারবেন।”

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০১ key status

হাই কোর্ট থেকে রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে

প্রধান বিচারপতি কান্ত বলেন, “কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি আমাদের কাছে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই কাজের জন্য পর্যাপ্ত লোকের অভাব রয়েছে। প্রতি দিন ২৫০টি করে নিষ্পত্তি করলেও, প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে। পুরো পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, অবসরপ্রাপ্তদের পাশাপাশি ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারকদের নেওয়া যাবে। ওই দুই রাজ্যের হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে এই বিষয়ে সাহায্য করতে অনুরোধ করব।”

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০০ key status

ভিন্‌রাজ্য থেকে বিচারক!

৮০ লক্ষের বেশি কাজ এখনও বাকি রয়েছে। তা শুনে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, অন্য রাজ্য থেকে বিচারক নিয়ে আসতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এর কাজের জন্য ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে বিচারক আনা হবে বলে জানান প্রধান বিচারপতি কান্ত।

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৬ key status

শুরু হল শুনানি

সুপ্রিম কোর্ট সকাল সাড়ে ১০টার কিছু পরে শুরু হয় এসআইআর মামলার শুনানি।

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৫৩ key status

কিছু ক্ষণের মধ্যেই শুনানি

কিছু ক্ষণের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে শুরু হবে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মামলা। জানা যাচ্ছে, এজলাস বসলেই শুরু হবে শুনানি। এই মামলার সব পক্ষের আইনজীবীরা ইতিমধ্যে প্রধান বিচারপতির এজলাসে উপস্থিত হয়েছেন।

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৯ key status

সোমবার রাতে বিজ্ঞপ্তি

সোমবার রাতেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মামলা শুনবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। 

শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪৭ key status

মঙ্গলবার শুনানি

মঙ্গলবার রাজ্যের এসআইআর সংক্রান্ত মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে হবে শুনানি। সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, মঙ্গলবার এই মামলা শুনানি হবে। জানা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর করা আবেদন-সহ পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মামলাগুলি আজ শুনবে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on:
আরও পড়ুন
Advertisement