গুলিকাণ্ডে পাকড়াও শহরেরই তিন যুবক

গুলি কাণ্ডে তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম কালাশেখর রাও, পাপ্পু যাদব এবং রাজু বেহেরা। কালাশেখরই এই দুষ্কৃতী দলের মাথা বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও কিছু গুলি উদ্ধার হয়েছে। একটি মোটরবাইকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বাড়ি রেলশহরেই। কালাশেখর এবং রাজুর বাড়ি মালঞ্চয়। পাপ্পুর নিমপুরায়।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০১৬ ০৭:২৯
Share:

গ্রেফতার হওয়া তিন যুবক। (ইনসেটে) উদ্ধার হওয়া অস্ত্র দেখাচ্ছেন জেলা পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ। ছবি: সৌমেশ্বর মণ্ডল।

গুলি কাণ্ডে তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃতদের নাম কালাশেখর রাও, পাপ্পু যাদব এবং রাজু বেহেরা। কালাশেখরই এই দুষ্কৃতী দলের মাথা বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও কিছু গুলি উদ্ধার হয়েছে। একটি মোটরবাইকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতদের বাড়ি রেলশহরেই। কালাশেখর এবং রাজুর বাড়ি মালঞ্চয়। পাপ্পুর নিমপুরায়।

Advertisement

পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ভারতী ঘোষ বলেন, “স্থানীয় তিনটি ছেলে পরিকল্পনা করেই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। আরও কিছু জিনিস আমরা তদন্ত করছি। ধীরে ধীরে সব স্পষ্ট হবে।” দুস্কৃতীদের পিছনে কী বড় কোনও দুষ্টচক্র রয়েছে? ভারতীদেবীর জবাব, “তদন্তে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

গত শুক্রবার রাতে খড়্গপুর শহরের মালঞ্চর টাটা ব্যাঙ্কের কাছে সোনার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার সময় গুলিবিদ্ধ হন সোনার ব্যবসায়ী উত্তম দাস। দুস্কৃতীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এই সময় গুলিবিদ্ধ হন কাঠমিস্ত্রি সুনীল শর্মা। ওই ঘটনাতেই তিন জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এই ঘটনার পরে খড়্গপুরের নিরাপত্তা নিয়ে কী পুলিশ নতুন করে কিছু ভাবছে? জেলা পুলিশ সুপার বলেন, “খড়্গপুর শহরে এ বার নতুন করে নাকা সিস্টেম করছি। শহরে ঢোকা- বেরোনোর পথে নাকা থাকবে।” পাশাপাশি, অপরাধমূলক কাজকর্ম ঠেকাতে এটিএম কাউন্টারের সামনে মোবাইল পেট্রোলিং হবে। দোকান বন্ধের সময়ও মোবাইল পেট্রোলিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানান পুলিশ সুপার। মঙ্গলবার সকালে নিজের দফতরে এক সাংবাদিক বৈঠক করেন ভারতীদেবী। ওই বৈঠকেই গুলি চালানোর ঘটনার কিনারা হওয়ার কথা জানান ভারতীদেবী।

Advertisement

পুলিশ সুপার বলেন, “ঘটনার দিন দু’টি গুলি চলে। এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে আমরা দেখতে পাই কালাশেখর বলে ছেলেটি মূল অভিযুক্ত। এই ছেলেটি সকাল বেলা আরও দু’টি ছেলেকে জোগাড় করে। এর আগে উত্তম দাসের কাছে এরা কিছু টাকাপয়সা চায়। উত্তম দাস তা দিতে রাজি হয়নি। সে দিন প্রথমে একটা দোকানে গিয়ে এরা মদ খায়। পরে গুলি করে।”

তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, পাপ্পু বাইক চালাচ্ছিল। তাঁর পিছনে বসে ছিল রাজু ও কারলাশেখর। কেন এই গুলি? পুলিশের বক্তব্য, এরা অপরাধ জগতে নতুন। খড়্গপুরে ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করার জন্যই গুলি চালানো হয়েছে। ওই দিন উত্তমবাবুর কাছে থাকা ব্যাগ ছিনতাইয়েরও চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ সুপারের কথায়, “তদন্তে জানা গিয়েছে, ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা হয়েছিল। তবে ব্যাগটা ওরা পায়নি।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement