—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
দশম শ্রেণির ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগে পুলিশের জালে স্কুলের শিক্ষকই। মোবাইলের লোকেশন পরীক্ষা করে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করল সবং থানার পুলিশ। ধৃত শিক্ষককেই ‘মূল অভিযুক্ত’ হিসাবে দাবি করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত শিক্ষকের ‘অত্যাচারে’ দশম শ্রেণিতে স্কুল পরিবর্তন করতে হয়েছিল নির্যাতিতাকে। তবে তার পরেও ওই শিক্ষকের ‘কু-নজরে’ ছিল সে। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী, গত ১১ মে দুপুরে সে যখন টিউশন পড়তে যাচ্ছিল, সে সময় পাঁচ-ছ’জনকে তাকে ঘিরে ধরে শ্লীলতাহানি করে। ওই শিক্ষকের কথা উল্লেখ করে তারা জানায়, তিনি বলেছিলেন বলেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে তারা। আতঙ্কিত ওই ছাত্রী বাড়ি ফিরে পরিবারকে গোটা বিষয়টা জানায়। তার পরেই পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ জানানো হয়।
সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। গঠন করা হয় বিশেষ তদন্তকারী দল। সেই দল বিভিন্ন সূত্র থেকে খবর নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিয়ে গত ২৯ মে পাঁচ জন নাবালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু পলাতক ছিলেন ওই শিক্ষক। জানা যায়, ‘গোপন আস্তানা’ থেকেই আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন তিনি। তবে সেই আবেদন খারিজ হওয়ার পরই তাঁকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা জানান, এই ঘটনায় দু’জন নাবালক-সহ মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কল রেকর্ডের সূত্র ধরে বুধবার সকালে ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে সবং থানার পুলিশ।