মন খারাপে প্রাণসুধা রবি ঠাকুরই

শুরু করেছিলাম ‘কুমোরপাড়ার গরুর গাড়ির’ দিয়ে, সেই তিন বছর বয়সে। তারপর কেটে গিয়েছে টানা ১৩ বছর। সময়টা এক দশকেরও বেশি। ছোট বেলার আধাচেনা রবি ঠাকুর আজ রবীন্দ্রনাথ। কিন্তু ছোট থেকে সেই একই রূপ দেখে আসছি মানুষটার। ছোটবেলায় রবীন্দ্রনাথের কোনও কঠিন গল্প বা কবিতা পড়তে হলে রাগের সীমা থাকত না। মনে হত কী লাভ এমন কঠিন কঠিন কথা পড়ে? মনে হত কেন এ সব লিখেছিলেন রবি ঠাকুর।

Advertisement
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০১৫ ০১:০৩
Share:

শুরু করেছিলাম ‘কুমোরপাড়ার গরুর গাড়ির’ দিয়ে, সেই তিন বছর বয়সে। তারপর কেটে গিয়েছে টানা ১৩ বছর। সময়টা এক দশকেরও বেশি। ছোট বেলার আধাচেনা রবি ঠাকুর আজ রবীন্দ্রনাথ। কিন্তু ছোট থেকে সেই একই রূপ দেখে আসছি মানুষটার। ছোটবেলায় রবীন্দ্রনাথের কোনও কঠিন গল্প বা কবিতা পড়তে হলে রাগের সীমা থাকত না। মনে হত কী লাভ এমন কঠিন কঠিন কথা পড়ে? মনে হত কেন এ সব লিখেছিলেন রবি ঠাকুর।

Advertisement

কিন্তু যত বড় হচ্ছি তত যেন বুঝতে পারছি কবিতাগুলোর মানে। গানের সুর পেরিয়ে কথাগুলো যেন মনের ভিতর ঢুকে পড়ে। আর মনে হয় ঠিক যেন আমার কথাটিই বলে ফেলেছেন রবীন্দ্রনাথ অনেক আগে ভাগে। কী করে হয় এমনটা? আমার পারিবারিক পরিবেশে রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনে আসছি বোধহয় জন্ম থেকেই, মায়ের গলায়, বাবার মুখে। এমনকী আমার বন্ধুরা যখন সমকালীন হিন্দি ছবির গান দেখতে অভ্যস্ত টিভি, তখন আমার বাবা মা রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনতে বলেন আমাকে। আগে মাঝে-মধ্যে খুব রাগ হত, বাবা-মার উপরই।যখন একা থাকি, মন খারাপ হয় বা কোনও কারণে আনন্দ হয়, রবি ঠাকুরের গান গেয়ে উঠি। তখন মনে হয়, এই তো আনন্দ। বাবা মা ছাড়াও আমার এক শিক্ষিকাও আমাকে শিখিয়েছেন রবি ঠাকুরকে ভালবাসতে। আমার প্রিয় গান ‘‘বাংলার মাটি, বাংলার জল...’’। গায়ে কাঁটা দেয় যখনই গানটা গাই। রবীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকুন আমার প্রাণের আনন্দে।

সম্রাট দত্ত

Advertisement

(আইসিএসই পরীক্ষার্থী, বিদ্যাসাগর শিশু নিকেতন, মেদিনীপুর)

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement