জীবাণুমুক্ত অফিস খোলাই
Coronavirus

সংক্রমিত স্বাস্থ্য দফতরের কর্মী

গত শুক্রবার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সব কর্মী-আধিকারিকের করোনা পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতায় নাইসেডে পাঠানো হয়েছিল।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২০ ০৪:৩২
Share:

প্রতীকী ছবি

করোনার গ্রাসে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য অফিস চত্বরে জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশনের অফিসের এক কর্মীর করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট এসেছে সোমবার সকালে।

Advertisement

জেলা স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, সম্প্রতি স্বাস্থ্য দফতর অফিস সংলগ্ন এক বাসিন্দার করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট এসেছিল। এর পরে গত শুক্রবার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সব কর্মী-আধিকারিকের করোনা পরীক্ষার জন্য লালারসের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতায় নাইসেডে পাঠানো হয়েছিল। সোমবার সকালে ওই সব পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। তাতে দেখা গিয়েছে, এক কর্মী করোনা পজ়িটিভ।

হাওড়ার বাসিন্দা বছর ছত্রিশের ওই ব্যক্তি তমলুক শহরে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। শুক্রবার তিনি হাওড়ার বাড়িতে গিয়েছিলেন। সোমবার দুপুকে তাঁকে সেখান থেকে পাঁশকুড়া বড়মা করোনা হাসপাতালে এনে ভর্তি করানো হয়। তবে ওই কর্মী কিভাবে করোনা আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। জেলাশাসক পার্থ ঘোষ বলেন, ‘‘জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের এক কর্মীর করোনা পজ়িটিভ রিপোর্ট এসেছে। ওই কর্মীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। তবে দফতরের অন্য কর্মীদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে।’’

Advertisement

এ দিকে, স্বাস্থ্য দফতরের অফিসের কর্মী করোনা আক্রান্ত হওযায় প্রশ্ন উঠেছে যে, এর পরে আদৌ কি ওই অফিস খোলা থাকবে? আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা কর্মীরা বা জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে নিভৃতাবাসে পাঠানো হবে?

এ ব্যাপারে জেলাশাসকের জবাব, ‘‘মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিস খোলা থাকবে। ইতিমধ্যেই মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিস জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে।’’

জেলা স্বাস্থ্য দফতর ও পুরসভা সূত্রের খবর, জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিস থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে থাকা মুম্বই ফেরত করোনা আক্রান্ত যুবকের জেরে গত বুধবার থেকে রবিবার পর্যন্ত পুরসভা অফিসের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। বুধবার পুরসভার অফিস ও মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিস জীবাণুমুক্ত করা হয়েছিল। শুক্রবার জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সব কর্মী-আধিকারিকের লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এক জন বাদে অন্য সকলের রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় দফতর আপাতত খোলাই থাকছে বলে জানাচ্ছে জেলা প্রশাসন। যে কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁর অফিস— জাতীয় গ্রামীণ স্বাস্থ্য মিশন দফতর ‘সিল’ করে দেওয়া হয়েছে। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগ এ দিন দুপুরে ফের ওই অফিস সংলগ্ন চত্বর জীবাণুমুক্ত করেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement