রেলশহরে গুলি চালনার ঘটনায় আরও একজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে খড়্গপুরের ইন্দা মিত্র লেন থেকে কৌস্তভ দে নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর থেকে ছ’রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার কৌস্তবকে মেদিনীপুর জেলা আদালতে হাজির করে ছ’দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
গত ২৯ এপ্রিল রাতে শহরের ঝুলির দাফাইপাড়ায় ভোলা শঙ্কর নামে এক বৃদ্ধকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন তিনি। অভিযোগ ওঠে ভোলাবাবুর এক আত্মীয়ের থেকে ঘর ভাড়া নিয়ে কাপড়ের ব্যবসারা নামে অস্ত্র কারবার করত একদল দুষ্কৃতী। মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় প্রসাদ পলাতক। শনিবার সকালে অভিমন্যু কুমার নামে বিহারের এক যুবককে পাকড়াও করেন বাসিন্দারা। অভিমন্যুকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই কৌস্তবের খোঁজ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের। পেশায় গাড়ি চালক কৌস্তব বেশ কয়েকমাস ধরেই এই অস্ত্র কারবারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছিল বলে জানা গিয়েছে। ঝুলির ওই বাড়িতে কৌস্তব আগ্নেয়াস্ত্র কিনতে এসেছিল। পুলিশ গুলি উদ্ধার করতে পারলেও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি। খড়্গপুরের এসডিপিও কার্তিক মণ্ডল বলেন, “ধৃতদের জেরা করে পলাতক দুষ্কৃতীদের
খোঁজ চলছে।”
স্কুল খোলার দাবি। অবিলম্বে স্কুলে পঠনপাঠন চালু করা, প্রয়োজনে সকালের দিকে ক্লাস করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাল ডিএসও। বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের শিক্ষা ভবনে গিয়ে স্মারকলিপিও জমা দেন নেতা-কর্মীরা। ডিএসওর জেলা সভাপতি দীপক পাত্র বলেন, “বেসরকারি স্কুলগুলো খোলা রয়েছে। অবিলম্বে সরকারি স্কুলে পঠনপাঠন চালুর দাবি জানিয়েছি।”