এক ফোনেই মিলবে মিস্ত্রি থেকে বিউটিশিয়ান

এক ফোনেই মুশকিল আসান! বাড়িতে বিদ্যুতের তারের ওয়্যারিং বদলাতে চান। কিন্তু ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খুঁজে পাচ্ছেন না। বিয়ের কনে সাজানোর জন্য বিউটিশিয়ান দরকার। মিস্ত্রি না পাওয়ায় বাড়ির কম্পিউটার অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৭ অগস্ট ২০১৬ ০২:৪০
Share:

নগর জীবিকা কেন্দ্রের উদ্বোধন। — নিজস্ব চিত্র।

এক ফোনেই মুশকিল আসান!

Advertisement

বাড়িতে বিদ্যুতের তারের ওয়্যারিং বদলাতে চান। কিন্তু ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খুঁজে পাচ্ছেন না। বিয়ের কনে সাজানোর জন্য বিউটিশিয়ান দরকার। মিস্ত্রি না পাওয়ায় বাড়ির কম্পিউটার অকেজো হয়ে পড়ে রয়েছে। চিন্তা করবেন না। এ সব নিয়ে কোনও সমস্যা হলেই ফোন করুন মেদিনীপুর পুরসভার নগর জীবিকা কেন্দ্রে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮০০৩৪৫৩২৮৪- এই টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করলেই মিলবে চটজলদি সমাধান। প্রয়োজন অনুযায়ী মিস্ত্রি পৌঁছে যাবে বাড়িতে।

গত সোমবার স্বাধীনতা দিবসে মেদিনীপুর পুরসভার নগর জীবিকা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন পুরপ্রধান প্রণব বসু ও উপ পুরপ্রধান জিতেন্দ্রনাথ দাস। পুরপ্রধানের কথায়, “উপযুক্ত পারিশ্রমিক দিয়ে পুর নাগরিকেরা এই সুবিধা পাবেন। তাঁদের আর হন্যে হয়ে মিস্ত্রি বা বিউটিশিয়ান খুঁজতে হবে না। আমরাই তার ব্যবস্থা করে দেব।”

Advertisement

বছর দু’য়েক আগে সব পুর এলাকায় ‘দীনদয়াল অন্ত্যদয় যোজনা-ন্যাশনাল আর্বান লাইভলিহুড মিশন’ চালু হয়েছে। নতুন স্বনির্ভর গোষ্ঠী তৈরির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষদের সার্বিক উন্নয়ন ঘটানো এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য।

কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের যৌথ এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই ইলেকট্রিক মিস্ত্রি, বিউটিশিয়ান, কম্পিউটার সারানোর বিষয় নিয়ে প্রায় ৬০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এখনও ৪০০ জনের প্রশিক্ষণ চলছে। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেকের নাম পুরসভার কাছে নথিভুক্ত করা রয়েছে। এর বাইরে কোনও প্রশিক্ষিত ব্যক্তি ইচ্ছে করলে পুরসভায় তাঁদের নাম নথিভুক্ত করতে পারেন। শহরের কোনও বাসিন্দা যে কাজের জন্য মিস্ত্রি চাইবেন, সেই অনুযায়ী তাঁর বাড়িতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারদর্শী ব্যক্তিকে পাঠানো হবে।

প্রশ্ন উঠছে, কোনও মিস্ত্রি যদি কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যান। অথবা কোনও যন্ত্রাংশ কেনার টাকা না নিয়ে আর না আসেন। উপ পুরপ্রধান জিতেন্দ্রনাথ দাসের কথায়, “ পুর নাগরিকেরা এ সব বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন। কারণ, আমাদের পাঠানো মিস্ত্রির যাবতীয় নথি পুরসভায় নথিভুক্ত রয়েছে। এ ধরনের ঘটনা ঘটলেই পুরসভা সে বিষয়ে পদক্ষেপ করবে।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement