এক প্রৌঢ়াকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগে স্বামী, ছেলে ও বৌমাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। নয়াগ্রাম থানার খড়িকামাথানি এলাকার ঘটনা। শনিবার সকালে সুকান্তি পানিয়া (৫৫) নামে ওই মহিলার দগ্ধ দেহ তাঁর বাড়িরই একটি ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর বাপের বাড়ির অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। নয়াগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সুকান্তিদেবীর ভাই ত্রিলোচন বেরা। তার ভিত্তিতে শনিবারই সুকান্তিদেবীর স্বামী বছর পঁয়ষট্টির আনন্দমোহন পানিয়া, ছেলে মনোজ পানিয়া ও পুত্রবধূ পুতুল পানিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপার সুখেন্দু হীরা বলেন, “প্রাথমিকভাবে খুন বলেই মনে হচ্ছে। তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।” ধৃতদের আজ, রবিবার ঝাড়গ্রাম আদালতে তোলা হবে। মৃতদেহ মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়।
খড়িকামাথানির ত্রিকোণ পার্ক এলাকায় সুকান্তিদেবীর স্বামী আনন্দমোহনবাবুর একটি লোহার সরঞ্জামের দোকান রয়েছে। তিনি হাতুড়ে চিকিত্সাও করেন। হাসপাতাল পাড়ায় ছেলে-বৌমার সঙ্গেই থাকতেন তাঁরা। বেশ কয়েক বছর ধরে সুকান্তিদেবী নানা অসুখে ভুগছিলেন। স্বামী ও ছেলে তাঁর চিকিত্সা খরচ দেন না বলে পড়শিদের কাছে আক্ষেপও করতেন তিনি। সম্প্রতি ঝগড়াঝাঁটির জেরে কিছুদিনের জন্য ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের সুলিয়াপদা থানার মহুলি গ্রামের বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন সুকান্তিদেবী। গত বৃহস্পতিবার খড়িকামাথানিতে স্বামীর বাড়িতে ফেরেন তিনি।