Suvendu Adhikari’s PA Murder

শুভেন্দুর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথের খুনের তদন্তভার সিবিআই-কে! রাজ্য পুলিশের থেকে মঙ্গলবারই দায়িত্ব নিচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা

সিবিআই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই তদন্তের জন্য সিট (বিশেষ তদন্তকারী দল) গঠন করা হবে। কলকাতা জ়োনের যুগ্ম নির্দেশক (হেড অফ জ়োন)-এর অধীনে কাজ করবে সেই দল।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১২ মে ২০২৬ ০৯:১৯
Share:

চন্দ্রনাথ রথ। — ফাইল চিত্র।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের খুনের তদন্তভার হাতে নিল সিবিআই। রাজ্য পুলিশ এই তদন্তের জন্য সিবিআইয়ের নাম সুপারিশ করেছিল। মঙ্গলবার তাদের হাত থেকে তদন্তের দায়িত্বভার গ্রহণ করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, এই তদন্তের জন্য সিট (বিশেষ তদন্তকারী দল) গঠন করা হবে। কলকাতা অঞ্চল (জ়োন)-এর যুগ্ম নির্দেশক (হেড অফ জ়োন)-এর অধীনে কাজ করবে সেই দল।

Advertisement

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতা অঞ্চল (জ়োন) থেকেই আধিকারিকদের সিটে নিয়োগ করবেন যুগ্ম নির্দেশক। তদন্তের জন্য যে রকম প্রয়োজন হবে, সে রকম ভাবেই আধিকারিক নিয়োগ করা হবে।

চন্দ্রনাথের খুনের ঘটনায় উত্তরপ্রদেশ এবং বিহার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তিন সন্দেহভাজনকে। ধৃতদের নাম ময়ঙ্করাজ মিশ্র, ভিকি মৌর্য এবং রাজ সিংহ। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের মধ্যে পেশাদার ‘শুটার’ও রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ময়ঙ্ক এবং ভিকিকে বিহারের বক্সার থেকে ধরা হয়েছে। রাজকে ধরা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের বালিয়া থেকে। পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের ১৩ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

Advertisement

চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে যে সিট গংঠিত হয়েছে, তাতে এসটিএফ এবং রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি-র আধিকারিকেরাও ছিলেন। সেই সিটই গ্রেফতার করে তিন জনকে। যে গাড়িটি খুনে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেটি ঝাড়খণ্ড থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল বলে প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীরা মনে করছেন। ওই গাড়ি থেকে বালি টোলপ্লাজ়ায় অনলাইনে টাকা পাঠানো হয়েছিল। সেই সূত্র ধরে অভিযুক্তদের খোঁজ শুরু হয় বলে সূত্রের খবর। রাজ্য পুলিশের সিটের এক সদস্য পিটিআই-কে জানান, প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে, ডিজিট্যাল ট্র্যাকিং এবং অন্যান্য সূত্র ধরে বিহার এবং উত্তরপ্রদেশে অভিযান চালানো হয়েছিল। এ বার সেই ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই। এর আগে তৃণমূল বিবৃতি দিয়ে আদালতের নজরদারিতে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিল।

গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথকে গুলি করে খুন করা হয়। চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে অন্য একটি চারচাকা গাড়ি চলে এসেছিল। তার ফলে চন্দ্রনাথের গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়। সেই সময় দু’পাশ থেকে দু’টি বাইকে চেপে আসে দুষ্কৃতীরা। চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালককে লক্ষ্য করে পর পর গুলি চালানো হয়। ঘটনাস্থলেই চন্দ্রনাথের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁর গাড়ির চালক এখনও হাসপাতালে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement