প্রতীকী ছবি।
মনোনয়ন দিয়েছিস? ভালয়-ভালয় প্রত্যাহার করে নে। না হলে এলাকায় থাকতে দেব না!
কুপার্স ক্যাম্প নোটিফায়েড এরিয়ায় ভোটের আগে এই ভাষাতেই নাকি বিজেপির প্রার্থীদের চমকাচ্ছে শাসকদলের লোকজন। ভয়ে এঁদের একাংশ কলকাতায় আশ্রয় নিয়েছেন। আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পেরিয়ে গেলে তাঁরা আবার এলাকায় ফিরবেন। রানাঘাট মহকুমাশাসক প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী অবশ্য বলেন, “বিজেপি কর্মীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বা তাঁরা এলাকায় নেই, এ ধরনের কোনও অভিযোগ আমা। জানানো হয়নি।”
কুপার্স শহর তৃণমূল সভাপতি দিলীপকুমার দাসের পাল্টা, “আমরা সারা বছর মানুষের সঙ্গে থাকি। ওদের কেউ চেনেই না! তাই নাটক করে সহানুভূতি আদায় করতে চাইছে।”
গত শুক্র ও শনিবার রানাঘাট মহকুমাশাসকের অফিসে সব আসনে মনোনয়ন জমা দেন বিজেপি প্রার্থীরা। মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার শুরু হয়। জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ সরকারের দাবি, “তৃণমূল আমাদের ছাড়া অন্য দলকে ভয় পাচ্ছে না। তাই হটানোর চেষ্টা করছে।” দলের কুপার্স শহর সভাপতি তথা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী লিটন বিশ্বাস বুধবার ফোনে বলেন, “ভয়ে আমরা কলকাতায় এসে রয়েছি।”
দিলীপের পাল্টা প্রশ্ন, “এখানে বিজেপির শতকরা এক শতাংশ ভোট রয়েছে। ওদের ভয় পাব?” বিজেপি কি বামেদের থেকেও বড় প্রতিদ্বন্দ্বী? সিপিএমের জেলা সম্পাদক সুমিত দে বলেন, ‘‘তৃণমূল-বিজেপি দু’দলের সঙ্গেই আমাদের লড়াই। ওরা কে কার প্রতিদ্বন্দ্বী তা ওরাই ঠিক করুক!’’