—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
বহরমপুর শহরের এ-প্রান্ত থেকে সে-প্রান্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বুলেটপ্রুফ সাঁজোয়া গাড়ি। সেই গাড়ির উপরে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। রাস্তার দুধারে, সামনে তীক্ষ্ণ নজর। সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের গাড়ি এদিকে ওদিকে ছোটাছুটি করছে। এ তো গেল রাস্তার দৃশ্য। বুথও আগলে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। পরিচয়পত্র ছাড়া কাউকে বুথের ভিতরে এক পা-ও এগোতে দিচ্ছেন না।
এ ভাবেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিনভর সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গেল। তবে তৃণমূল কোথাও কোথাও কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ তুলেছে। আবার কোথাও কোথাও ভোট এতটাই শান্তিপূর্ণ হয়েছে যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের উপস্থিতিটুকু যথেষ্ট ছিল। যেমন রানিনগর বিধানসভার হাড়িভাঙা দৌলতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ। সেখানে পরিচয়পত্র দেখে দুজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ভোটারদের বুথে ঢোকার অনুমতি দিচ্ছেন। আরও কয়েকজন জওয়ানকে বুথের পাশে গাছের ছায়াতলে খানিকটা জিরিয়ে নিতে দেখা গেল।
এবারে প্রথম থেকে কড়া নিরাপত্তার কথা বলেছে কমিশন। সেই মতো জেলায় ৩৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ কোম্পানি এবং জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ১৩১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।
এ দিন ডোমকলের এসডিপিওর শুভম বাজাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের নিয়ে ডোমকলের রায়পুর, থেকে শুরু করে সাহাদিয়াড়, আমিনাবাদ, বাঘডাঙা, ভগীরথপুর, শিবনগরে ঘুরেছেন। জটলা দেখলেই তাঁদের সরিয়ে দিয়েছেন। এ দিন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেছেন, ‘‘যারা ভোটার ভোট দিতে যাচ্ছেন তাদের জন্য নির্বাচন কমিশন যে ব্যবস্থা করেছে তাতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না। কিছু অভিযোগ আসছে। সেগুলি আমরা কমিশনকে জানাচ্ছি।’’ বহরমপুর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ অতি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ২০০ মিটারে আমাদের লোকজন থাকলেও লাঠি চালিয়েছে।’’ বিজেপির বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মলয় মহাজন বলেন, ‘‘এ বারের অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে।’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে