Murder

বিবাদের জের! শিমুরালিতে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে, বাধা দিতে গিয়ে জখম বড় জা

চিৎকার শুনে অহীন্দ্রের বৌদি বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাঁকেও রেয়াত করেননি অভিযুক্ত। অভিযোগ, তাঁকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৩ মার্চ ২০২৬ ১৬:০০
Share:

— প্রতীকী চিত্র।

অশান্তির জেরে স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন পরিবারের আরও এক সদস্য। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত স্বামী। নদিয়ার চাকদহ থানার শিমুরালি মহেশ্বরপুর এলাকার ঘটনা।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত বধূর নাম তিতু বিশ্বাস। বেশ কিছুদিন ধরেই স্বামী অহীন্দ্র চৌধুরীর সঙ্গে তিতুর বিবাদ চলছিল। রবিবার সকালে সেই অশান্তি চরম আকার ধারণ করে। অভিযোগ, বচসা চলাকালীন আচমকাই মেজাজ হারিয়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে তিতুর উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন অহীন্দ্র। তিতুকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি কোপ মারতে থাকেন তিনি। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিতু।

চিৎকার শুনে অহীন্দ্রের বৌদি বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাঁকেও রেয়াত করেননি অভিযুক্ত। অভিযোগ, তাঁকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। গুরুতর জখম অবস্থায় বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। তিতুকে উদ্ধার করে দ্রুত কল্যাণীর জওহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

Advertisement

মেয়ের এই পরিণতিতে ভেঙে পড়েছেন অসীমা সরকার। তাঁর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই মেয়েকে মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করতেন জামাই। অসীমা বলেন, ‘‘দীর্ঘ দিন ধরেই মেয়ের উপর অত্যাচার চলছিল। সব শেষ হয়ে গেল। আমি ওর কঠোর শাস্তি চাই।’’ খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় চাকদহ থানার পুলিশ। অভিযুক্ত অহীন্দ্র এখন পলাতক। পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। ঘটনার নেপথ্যে কেবল পারিবারিক বিবাদ, না কি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement