Coronavirus

আক্রান্ত বাজারে, শুরু হল ঘেরাটোপ

এ দিন সকালেই কালীগঞ্জ বাজার কমিটির পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার সব বাজার বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়।

Advertisement

সন্দীপ পাল 

শেষ আপডেট: ২৩ জুন ২০২০ ০৩:৪৮
Share:

নিজস্ব চিত্র

কালীগঞ্জ বাজার এলাকার এক ব্যক্তির করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পরেই পুরো বাজার এলাকা ‘কনটেনমেন্ট জ়োন’ হিসেবে চিহ্নিত করল প্রশাসন। কিন্তু কী ভাবে পরীক্ষার রিপোর্ট আসার আগেই ওই ব্যক্তি এলাকায় ঘুরে বেড়ালেন, তার সদুত্তর মিলছে না।

Advertisement

ব্লক স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে এলাকায় ফিরে একটি স্কুলে নিভৃতাবাসে ছিলেন ওই ব্যক্তি। গত ১৫ জুন বাড়ি ফেরেন। তার পরের দিন, ১৬ জুন ওই নিভৃতাবাসে থাকা এক জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। এই ব্যক্তি তাঁর সংস্পর্শে এসেছিলেন জেনে স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে এঁরও লালারসের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়। সোমবার তাঁর রিপোর্টও পজ়িটিভ আসে। ওই ব্যক্তিকে কল্যাণীতো কোভিড হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাঁর পরিবারের ১৯ জন সদস্যকে সরকারি নিভৃতাবাসে রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে নিভৃতাবাস তেকে ফিরে এই ব্যক্তি বাজার এলাকায় ঘুরে বেরিয়েছেন। বাজার এলাকায় নানা চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়েছেন ও বাজারে ঘুরে বেড়িয়েছে। অনেকেই তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন। ফলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এ দিন সকালেই কালীগঞ্জ বাজার কমিটির পক্ষ থেকে মাইকে প্রচার সব বাজার বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়। বাজার কমিটির সম্পাদক মানবকুমার সাঁই বলেন, “আপাতত সম্পূর্ণ বাজার বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কবে বাজার খোলা যেতে পারে।“

Advertisement

তবে প্রশ্ন উঠেছে, ওই নিভৃতাবাসে যখন এক জনের করোনা ধরা পড়েছে এবং ওই ব্যক্তির তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন বলে জানা গিয়েছে, তার পরেও স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে কেন তাঁকে বাড়িতে থাকার কথা বলা হয়েছিল? ব্লক স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, ওই ব্যক্তি অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে এসেছিল যে রাজ্য ‘রেড জ়োন’ তালিকায় নেই। সেই কারণেই তাঁকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। রিপোর্ট আসার পরেই ওই এলাকাটি ‘কনটেনমেন্ট জ়োন’ করে দেওয়া হয়েছে এবং কারা তাঁর সংস্পর্শে এসেছেন, খোঁজ চলছে।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement