SIR in West Bengal

‘পাশের ঘরে ছিলাম, ভাঙচুর টের পাইনি’, ফরাক্কাকাণ্ডে বললেন বিডিও, এফআইআরে নাম নেই মূল অভিযুক্তের

অভিযুক্ত মণিরুল ইসলাম এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, সরকারি কাজে বিভেদ করা হচ্ছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:১৬
Share:

ফরাক্কায় বিডিও-র অফিসে ভাঙচুর। — ফাইল চিত্র।

সরকারি অফিসে দিনের আলোয় তাণ্ডব চলার অভিযোগ উঠেছে। ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে চেয়ার-টেবিল। ঘটনার সময় পাশের ঘরে উপস্থিত থাকা বিডিও জানিয়েছেন, তিনি কিছুই ‘টের’ পাননি। মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) জুনায়েদ আহমেদের এই বয়ান ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। পুলিশের দায়ের করা এফআইআরে কেন মূল অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলামের নাম নেই, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

বুধবার এসআইআর প্রক্রিয়ার পরে মনিরুলের নেতৃত্বে একদল বিক্ষোভকারী বিডিও অফিসের সামনে জড়ো হন। অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীনই মনিরুল ও তাঁর অনুগামীরা আচমকা অফিসের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সাধারণ মানুষকে অফিস থেকে বার করে দিয়ে চলে ব্যাপক ভাঙচুর। খবর যায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে। কমিশনের কড়া নির্দেশের পর ফরাক্কা থানায় এফআইআর দায়ের হলেও, সেখানে মূল অভিযুক্ত মনিরুলের নাম নেই বলে অভিযোগ। তার পরেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে স্থানীয় মহলে।

বিডিও জুনায়েদ আহমেদ বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘যখন ঘটনাটি ঘটে, আমি অন্য ঘরে ছিলাম। অভিযোগ জানানো হয়েছে, যা হওয়ার হবে।’’ প্রশ্ন উঠেছে, গোটা অফিস চত্বরে যেখানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে, সেখানে কেন মূল অভিযুক্তের নাম নেই এফআইআরে।

Advertisement

অন্য দিকে, অভিযুক্ত মণিরুল ইসলাম এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, সরকারি কাজে বিভেদ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “রামের নাম শুনলে কাজ হচ্ছে, আর রহিমের নাম শুনলে চোদ্দ গুষ্টির খতিয়ান চাওয়া হচ্ছে। এই দ্বিচারিতা চলবে না। মানুষের অধিকারের লড়াইয়ে গুলি খেতে হলে আমিই প্রথম খাব।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement