দুই বিঘা জমিতে তৈরি হবে মাল্টিপ্লেক্স কমপ্লেক্স

কৃষ্ণনগর শহরে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ‘মাল্টিপ্লেক্স কমপ্লেক্স’ গড়ার জন্য অনুমতি দিল রাজ্য। দিন কয়েক আগে ওই কমপ্লেক্স গড়তে চেয়ে রাজ্যের অনুমতি চেয়েছিল নদিয়া জেলা পরিষদ। সম্প্রতি রাজ্য সরকার জেলা পরিষদকে ‘মাল্টিপ্লেক্স কমপ্লেক্স’ গড়ার অনুমোদন দিয়েছে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০১৬ ০১:০২
Share:

কৃষ্ণনগর শহরে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ‘মাল্টিপ্লেক্স কমপ্লেক্স’ গড়ার জন্য অনুমতি দিল রাজ্য।

Advertisement

দিন কয়েক আগে ওই কমপ্লেক্স গড়তে চেয়ে রাজ্যের অনুমতি চেয়েছিল নদিয়া জেলা পরিষদ। সম্প্রতি রাজ্য সরকার জেলা পরিষদকে ‘মাল্টিপ্লেক্স কমপ্লেক্স’ গড়ার অনুমোদন দিয়েছে। তবে জুড়ে দেওয়া হয়েছে একটি শর্ত। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া কোনও অর্থ এই প্রকল্পে খরচ করা যাবে না।

জেলা পরিষদ সূত্রের খবর, কৃষ্ণনগর পুরসভার পাশে জেলা পরিষদের প্রায় বিঘে দুয়েক জমি রয়েছে। ওই জমি বর্তমানে ফাঁকা পড়ে রয়েছে। সেখানেই ‘মাল্টিপ্লেক্স কমপ্লেক্স’ গড়া হবে।

Advertisement

হঠাৎ করে জেলা পরিষদের কৃষ্ণনগর শহরে এই ধরনের কমপ্লেক্স গড়ার উদ্যোগ কেন? নদিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি বাণীকুমার রায় বলেন, “এমনিতেই শহরের ভেতরে বিনোদনের ভাল জায়গা নেই। জেলা পরিষদের এই জমিটি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে রয়েছে। ফলে এই ধরনের প্রকল্প গড়ে একদিকে জমিটিকে কাজে লাগিয়ে জেলা পরিষদের আয় হবে। অন্যদিকে শহরের লোকজনও এই ধরনের কমপ্লেক্স থেকে নানা ধরনের সুযোগ সুবিধা পাবেন ।”

কৃষ্ণনগর শহরে এই ধরনের কমপ্লেক্স গড়ার জন্য বছর খানেক আগেই পরিকল্পনা নেওয়া হয়। জেলা পরিষদ পিপিপি মডেলে প্রকল্প গড়ার পরিকল্পা নেয়। সে সময় জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এই প্রকল্প গড়তে আগ্রহীদের আবেদনপত্র আহ্বান করা হয়। তিনটি সংস্থা তাতে সাড়া দিয়ে আবেদনও করেছিল। ইতিমধ্যে জেলাপরিষদ আগ্রহী একটি সংস্থাকে চিহ্নিত করেছে।

অন্যদিকে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে এ বছর জুলাই মাসে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরে এই প্রকল্পের গড়ার জন্য ‘নো অবজেকশনের’ আবেদন জানানো হয়েছিল। ৫ অক্টোবর রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতর থেকে শর্তসাপেক্ষে এই প্রকল্পের ‘নো অবজেকশন’ও দিয়েছে। এ বার চিহ্নিত সংস্থার সঙ্গে প্রকল্পের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর মউ স্বাক্ষরিত হবে।

ওই জমিতে বিল্ডিং তৈরি করা হবে। সেখানে পার্কিং জোন থেকে শুরু করে শপিংমল, আধুনিক সিনেমা হল, আধুনিক রেস্তোরাঁ, মিটিং হল তৈরি করা হবে। এই ধরনের উদ্যোগে আশার আলো দেখছেন কৃষ্ণনগরের বাসিন্দারা। তাঁরা জানিয়েছেন, শহরের ভেতরে বিনোদনের ভালো জায়গা নেই। ফলে শহরের বাসিন্দারা সমস্যায় পড়েন। কৃষ্ণনগরের বাসিন্দা আনন্দ বিশ্বাসের কথায়, “এই শহরে বিনোদনের কোনও জায়গা নেই। এই ধরনের কমপ্লেক্স হলে ছেলেমেয়েরা বিনোদনের জায়গা পায়।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement