দিদিমার কাছে শিশু, ধুবুলিয়া চায় সিআইডি

পায়েলের মৃত্যুর সিআইডি তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন বন্ধু-পড়শি–পরিজনেরা। বুধবার ধুবুলিয়ায় তাঁর বাপের বাড়ির সামনে থেকে মিছিলে যাদবপুর ও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, আশুতোষ ও কৃষ্ণনগর কলেজ এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের কিছু বর্তমান ও প্রাক্তন পড়ুয়াও পা মেলান।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০১৬ ০০:৪১
Share:

পায়েলের মৃত্যুর সুবিচারের দাবিতে পথে। ধুবুলিয়ায় সুদীপ ভট্টাচার্যের তোলা ছবি।

পায়েলের মৃত্যুর সিআইডি তদন্ত চেয়ে পথে নামলেন বন্ধু-পড়শি–পরিজনেরা। বুধবার ধুবুলিয়ায় তাঁর বাপের বাড়ির সামনে থেকে মিছিলে যাদবপুর ও কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়, আশুতোষ ও কৃষ্ণনগর কলেজ এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের কিছু বর্তমান ও প্রাক্তন পড়ুয়াও পা মেলান। এ দিনই পায়েলের ছ’মাসের মেয়ে অঙ্গিরাকে তার দিদিমা নমিতা হাজরার হাতে তুলে দেয় হুগলি জেলা শিশুকল্যাণ কমিটি। মঙ্গলবার বারুইপুর থেকে উদ্ধারের পরে তাকে চাইল্ড লাইনের হাতে দিয়েছিল পুলিশ। এ দিন তারা শিশুটিকে শিশুকল্যাণ কমিটির কাছে পাঠায়। নমিতাদেবীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আপাতত শিশুটিকে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চমীর দিন রিষড়ার রেলপার্কে শ্বশুরবাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেহ মিলেছিল পায়েল পালের। তাঁর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদকে ইতিমধ্যেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। ছ’মাসের নাতনিকে নিয়ে এ দিন হিন্দমোটরে তাঁর বড় মেয়ে দোলা চৌধুরীর বাড়িতে ফিরে যান নমিতা দেবী। মেয়েটির জ্বর থাকায় সন্ধ্যায় তাকে ডাক্তার দেখানো হয়। পায়েলের এক জামাইবাবু অমিত রায় বলেন, ‘‘অঙ্গিরাকে আমরা নিজেদের কাছে রেখে মানুষ করতে চাই।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement