Bidi Moholla

বিড়ি মহল্লায় বৈঠক আরএসএস অনুমোদিত সংগঠনের

বিড়ি শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ করা ওই সংগঠন জানায়, এই দাবি পূরণ না হলে দেশ জুড়ে তারা আন্দোলনে নামবে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৬ ০৬:২৩
Share:

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

মুর্শিদাবাদের বিড়ি মহল্লায় এ বার সংগঠন বাড়াতে ‘তৎপর’ হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)। তাদের অনুমোদিত ভারতীয় মজদুর সংগঠনের (বিএমএস) শাখা সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় বিড়ি মজদুর সংগঠন’ দু’দিনের (রবি ও সোমবার) কর্মসমিতির বৈঠক করছে ফরাক্কার বিড়ি মহল্লায়। সেখানেই রবিবার বিড়ি শ্রমিকদের পরিচয়পত্র প্রদানে জটিলতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংগঠনের একাধিক সদস্য।

বিড়ি শ্রমিকদের নানা অপ্রাপ্তি ও উৎপাদক শুল্কের বিষয়টি উঠে আসে এ দিনের বৈঠকের আলোচনায়। বিড়ির উৎপাদন শুল্ক ০.৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে এক ধাক্কায় ১০ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে শ্রমিকদের উপরে সরাসরি আর্থিক বোঝা চেপেছে বলে অভিযোগ। এই উৎপাদন শুল্ক পুনরায় ০.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি উঠেছে বৈঠকে। বিড়ি শ্রমিকদের স্বার্থে কাজ করা ওই সংগঠন জানায়, এই দাবি পূরণ না হলে দেশ জুড়ে তারা আন্দোলনে নামবে।

উল্লেখ্য, বিজেপির কোনও শাখা সংগঠন নেই। তবে আরএসএসের অধীনে শ্রমিক,ছাত্র-সহ একাধিক সংগঠন রয়েছে। অভিযোগ, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরে বহু জায়গায় বিজেপির পতাকা-ফেস্টুন টাঙিয়ে নানা নতুন সংগঠন গজিয়ে উঠছে। তবে ওই সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি ওমপ্রকাশ মাহাতো বলেন, “সবগুলিই ভুয়ো সংগঠন। বিএমএসই দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় শ্রমিক সংগঠন। তাদের বাইরে যত সংগঠন গড়ে উঠেছে, সবই ভুয়ো। কোনও স্বীকৃতি দেওয়াহয়নি তাদের।”

ফরাক্কার ‘ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের’ সভাগৃহে আয়োজিত এই বৈঠক চলবে আজ, সোমবার বিকেল পর্যন্ত। বৈঠকে বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসেছেন কর্মসমিতির সদস্যরা। যোগ দিয়েছেন সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি ওমপ্রকাশ মাহাতোও। বিজেপির সমর্থক সংগঠন হলেও এটি মূলত আরএসএসের সংগঠন। বিড়ি শ্রমিকদের সমস্যা ও সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বৈঠকে। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষাকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে কর্মসমিতির বৈঠকে।

ওমপ্রকাশ বলেন, “বিড়ি শ্রমিক কল্যাণ পর্ষদের অধীনে ১২টি হাসপাতাল ও ২৯২টি ডিস্পেনসারি পরিচালিত হচ্ছে সারা দেশে। শ্রমিকদের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা বাড়াতে সব বিড়ি হাসপাতালকে ইএসআইয়ের অধীনে আনতে হবে।” ওমপ্রকাশও বলেন, ‘‘চার বছর ধরে আমরা কেন্দ্রের কাছে দাবি করছি যাতে বিড়ি শ্রমিকদের জন্য তৈরি সব হাসপাতাল এবং ডিসপেনসারিকে ইএসআইয়ে পরিণতকরতে হবে। মুর্শিদাবাদের ৬৫ শয্যার তারাপুর হাসপাতালকে ইএসআইয়ের নিয়ন্ত্রণে আনা হলে জেলার শ্রমিক উপকৃত হবেন।কিন্তু বার বার দাবি জানিয়েও এখনও এ নিয়ে কিছু করা হয়নি।’’ এ দিন ওই সংগঠনের মুর্শিদাবাদ জেলার সভাপতি ভবতোষ রায়ও এ নিয়ে বিদায়ী রাজ্য সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষপ্রকাশ করেছেন।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন

এটি একটি প্রিমিয়াম খবর…

  • প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর

  • সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ

  • সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে

সাবস্ক্রাইব করুন