রাস্তা-নিকাশি সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ সালারে

রাস্তা সারাই ও নিকাশির ব্যবস্থার উন্নতির দাবিতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা রাস্তার উপর বাঁশের ব্যরিকেড তৈরি করে বিক্ষোভ দেখালেন সালারের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার বড়দের ওই বিক্ষোভে সামিল ছিল পড়ুয়ারাও। খবর পেয়ে বিডিও গটনাস্থলে গেলে তিনিও বিক্ষোভের মুখে পড়েন। শেষে তিনি রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৬ মে ২০১৫ ০০:৩৩
Share:

রাস্তা সারাই ও নিকাশির ব্যবস্থার উন্নতির দাবিতে প্রায় ২৪ ঘণ্টা রাস্তার উপর বাঁশের ব্যরিকেড তৈরি করে বিক্ষোভ দেখালেন সালারের বাসিন্দারা। মঙ্গলবার বড়দের ওই বিক্ষোভে সামিল ছিল পড়ুয়ারাও। খবর পেয়ে বিডিও গটনাস্থলে গেলে তিনিও বিক্ষোভের মুখে পড়েন। শেষে তিনি রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দিলে অবরোধ ওঠে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সালারের স্কুল মোড় থেকে বাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার লম্বা রাস্তাটি বছর দশেক ধরে বেহাল। একাধিকবার রাস্তাটি সংস্কারের জন্য মৌখিক ও লিখিত আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অভিযোগ, তাতে প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা কর্ণপাত করেননি। বাধ্য হয়ে সোমবার বাসিন্দাদের একাংশ রাস্তাটি অবরোধ করেন। পরে রাস্তার উপর আড়াআড়ি ভাবে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়। তাতেই টনক নড়ে প্রশাসনের। পরদিন ভরতপুর-২ ব্লকের বিডিও অর্ণব চির্না ঘটনাস্থলে গেলে গ্রামবাসীরা তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। প্রায় ঘন্টা দু’য়েক ধরে তা চলে। বিডিও রাস্তা সংস্কারের আশ্বাস দিলে বাঁশের ব্যরিকেড খুলে দেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সালার স্কুল রোডের উপরে দু’টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দু’টি উচ্চ বিদ্যালয় আছে। আশেপাশের গ্রাম থেকে প্রায় হাজার চারেক ছাত্রছাত্রী স্কুলগুলো তে পড়াশোনা করতে আসে। অথচ ওই রাস্তাটির পিচের চাদর উঠে গিয়ে মাটির রাস্তায় পরিণত হয়েছে। যেখানে সেখানে ছোট বড় গর্ত। প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা লেগে থাকে। ওই রাস্তা ছাড়াও সালারের হাজিপাড়া, হিন্দুপাড় এলাকার রাস্তাগুলিরও দশাও একই। নিকাশি ব্যবস্থাও তথৈবচ। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তার উপরে এক হাঁটু জল জমে যায়।

Advertisement

সালারে পাইকারি বাজারে বহু মানুষ কেনাবেচা করতে আসেন। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রাস্তাঘাট বেহাল হওয়ায় ব্যাবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পরছেন। ব্যাবসায়ী চন্দন কাজি বলেন, “ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পরছেনই সেইসঙ্গে এলাকার ছাত্রছাত্রীরাও স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে। আমরা বহুবার প্রশাসনিক কর্তাদের জানিয়েছি। কিন্তু তাঁরা কেন যে রাস্তা সংস্কারের কাজে হাত দিচ্ছেন না বুঝতে পারছি না।’’

সালার এলাকার রাস্তা ও নিকাশির বেহাল দশা স্বীকার করে নিয়ে অর্ণববাবু বলেন, “সালারের বেশিরভাগ রাস্তা জেলা পরিষদের আওতায় রয়েছে। বিষয়টি জেলা শাসককে জানিয়েছি। আপাতত পঞ্চায়েতের মাধ্যমে রাস্তাগুলির সংস্কারের পর জেলা পরিষদকে ওই রাস্তা সংস্কারের জন্য আবেদন জানানো হবে।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement