শান্তিপুর নাট্যমেলায় এ বার বাংলাদেশের দল

শান্তিপুরের নাট্যমেলায় এ বার বিদেশের নাট্যদলও। ১৭ থেকে ২৫ ডিসেম্বর শান্তিপুরের পাবলিক লাইব্রেরির ও কলাতীর্থে ওই নাট্যমেলার আয়োজন করা হয়। শন্তিপুরের মানুষ নিজের শহরের বসেই দেখলেন বাংলাদেশের নাটক। গত বছর পাকিস্থানের নাটকের দল এসে নাট্যমেলায় নাটক মঞ্চস্থ করে। এ বার বাংলাদেশের দল নাট্যলোক তাদের ‘ধীবর গাঁথা’ নাটকে শান্তিপুরের নাট্যপ্রেমীদের মন জয় করে।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫ ০১:৪৩
Share:

শান্তিপুরের নাট্যমেলায় এ বার বিদেশের নাট্যদলও। ১৭ থেকে ২৫ ডিসেম্বর শান্তিপুরের পাবলিক লাইব্রেরির ও কলাতীর্থে ওই নাট্যমেলার আয়োজন করা হয়। শন্তিপুরের মানুষ নিজের শহরের বসেই দেখলেন বাংলাদেশের নাটক। গত বছর পাকিস্থানের নাটকের দল এসে নাট্যমেলায় নাটক মঞ্চস্থ করে। এ বার বাংলাদেশের দল নাট্যলোক তাদের ‘ধীবর গাঁথা’ নাটকে শান্তিপুরের নাট্যপ্রেমীদের মন জয় করে। এ ছাড়াও মহারাষ্ট্র ও উড়িষ্যা, অসম ও নতুন দিল্লির নাটকের দল এসেছে নাটক মঞ্চস্থ করে।

Advertisement

এ বারের নাট্যমেলায় চারটি মঞ্চে নাটক মঞ্চস্থ হয়। প্রথম দিন শম্ভু মিত্র মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় গুয়াহাটির উইংস থিয়েটারের ‘হেলেন’ ও কল্যাণী কলা মণ্ডলমের ‘মলুয়া সুন্দরীর পালা’। বাদল সরকার মঞ্চে দু’টি নাটকের পাশাপাশি মঞ্চস্থ হয় ঝুমুর গান ও টুসু ভাদু গান। নির্মলেমন্দু লাহিড়ী মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় মোট আটটি নাটক আর শম্ভু মিত্র মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়েছে মোট দশটি নাটক। পাশাপাশি মঞ্চের বাইরে মাঠে লালন ফকির আখড়ায় মঞ্চস্থ হয় পুতুল নাচ, সানাই, লোকগান, পদাবলী কীর্তন, ফিটের খেলায় মনসামঙ্গল, তালবাদ্য ও মুর্শিদি গান। ন’দিনের ওই উৎসবে প্রতিদিনই দর্শকের ভিড় উপচে পড়ে।

নাট্যোৎসবের কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বিশ্বাস বলেন, ‘‘দর্শকের কথা মাথায় রেখে আমরা টিকিটের দাম খুবই কম রেখেছিলাম। টিকিট বেঁচে যা টাকা উঠেছে তা খুবই কম। মূলত সরকারি অনুদান আর সাহায্যের উপরে নির্ভর করে এই নাট্যমেলার আয়োজন করেছি। আমরা চেয়েছি মানুষ যেন টাকার কারণে নাটক দেখা থেকে বঞ্চিত না হন।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement