দুই জেলায় বাড়ছে ঘাসফুল

সন্ত্রাসের অভিযোগ কংগ্রেসের

পুলিশ ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ বহাল রইল উপনির্বাচনের ফলের দিনেও। মুর্শিদাবাদে পুলিশকে কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল, উপনির্বাচনের আগে থেকেই এমন অভিযোগ তুলছিল কংগ্রেস। এ দিনেও মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই জয়ের আবহে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘‘এই জেলায় তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে অনেক আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যায়নি। তৃণমূল ও পুলিশের যৌথ সন্ত্রাসের কারণে আমাদের পরাজয় হয়েছে।’’

Advertisement

অনল আবেদিন

শেষ আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০১৫ ০১:৪৯
Share:

পুলিশ ও তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ বহাল রইল উপনির্বাচনের ফলের দিনেও। মুর্শিদাবাদে পুলিশকে কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে তৃণমূল, উপনির্বাচনের আগে থেকেই এমন অভিযোগ তুলছিল কংগ্রেস। এ দিনেও মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই জয়ের আবহে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, ‘‘এই জেলায় তৃণমূলের সন্ত্রাসের কারণে অনেক আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যায়নি। তৃণমূল ও পুলিশের যৌথ সন্ত্রাসের কারণে আমাদের পরাজয় হয়েছে।’’

Advertisement

৩ অক্টোবর, উপনির্বাচনের দিন তৃণমূলের ‘সন্ত্রাস রুখতে’ সালার-সহ বেশ কিছু এলাকায় ছুটতে হয়েছিল অধীরবাবুকে। কংগ্রেসের এক জেলা নেতার কথায়, ‘‘ওই যৌথ সন্ত্রাসের মধ্যে একা দাদা আর কত আগলে রাখবেন! এ ভাবে কি পারা
যায় নাকি!’’ জেলার ৮টি পঞ্চায়েত সমিতির মধ্যে তৃণমূল ৪টি, কংগ্রেস ৩টি, সিপিএম ১টি আসন পেয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬টি আসনের মধ্যে বড়ঞা ব্লকের পাঁচথুপি ৩ নম্বর আসনটিতে ভোট হয়নি মামলার কারণে। বাকি ২৫টি আসনের মধ্যে ১২টি পেয়েছে তৃণমূল। বাকি ১৩টির মধ্যে কংগ্রেস ৮টি, সিপিএম ৪টি এবং ফরওয়ার্ড ব্লক পেয়েছে ১টি আসন।

সন্ত্রাসের অভিযোগ উড়িয়ে মান্নান হোসেন বলেন, ‘‘৩৪ বছর ধরে সিপিএম এবং ২০ বছর ধরে অধীর চৌধুরীর সময় কালে সংখ্যালঘু জেলা মুর্শিদাবাদে কোনও উন্নয়ন হয়নি। মানুষ তার জবাব দিয়েছেন।’’ সৌমিক হোসেন বলেন, ‘‘বাম আমলে আটকে থাকা মতিঝিল পার্ক, ইংলিশ মিডিয়াম মাদ্রাসা, মেডিক্যাল কলেজ, কিষাণ মাণ্ডি-সহ অজস্র উন্নয়ন হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে। এই উপনির্বাচনে তারই সুফল পেয়েছি।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement