ইস্তফা তৃণমূলের ১২ জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যের। নিজস্ব ছবি।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মালদহে ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের ১২ জন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। বিডিওর কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনা ঘিরে শাসকদল তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে শুরু করেছে বিজেপি। তৃণমূল নেতৃত্বের অবশ্য বক্তব্য, ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।
রবিবার বামনগোলা ব্লকের মদনাবতী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান-সহ ১২ জন সদস্য ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন বিডিও রাজু কুন্ডুর কাছে। প্রধান রুনু বিশ্বাস দাস জানান, যুব তৃণমূলের ব্যানারে কয়েক জন এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছেন। হামলা করা হচ্ছে পঞ্চায়েত সদস্যদের উপর। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার অভাব বোধ করে ইস্তফার সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘আমাদের উপরেও আক্রমণ হতে পারে। নিরাপত্তা পাচ্ছি না। জেলা প্রশাসনকেও সব জানিয়েছি।’’ যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মদনাবতী অঞ্চলের যুব তৃণমূল সভাপতি তাপস রায়।
ইস্তফাপত্র জমা পড়ার কথা স্বীকার করে নিয়েছে বিডিও। তিনি বলেন, ‘‘পদত্যাগপত্র পেয়েছিল। বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে।’’
শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ইস্তফা বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। দক্ষিণ মালদা সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ি বলেন, ‘‘কাটমানির ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে গন্ডগোল।’’ এ প্রসঙ্গে রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, ‘‘বিষয়টির উপর আমরা নজর রাখছি। এই ধরনের ঘটনা বাঞ্ছনীয় নয়। বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে ফেলা হবে।’’