Bike Row in Malda

বিহার থেকে লরি-লরি বাইক ঢুকছে রাজ্যে! ব্যবহার করবেন বিজেপির নেতাকর্মীরা, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা

রবিবার সকালে মালদহ জেলা বিজেপি কার্যালয়ের মুখে দেখা যায় সারি সারি বাইক দাঁড়িয়ে। বাইকগুলির নম্বরপ্লেট বিহারের। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ভোটের সময় বুথদখল রুখতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

Advertisement

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৪
Share:

বিহার থেকে আনা বাইকগুলো রাখা হয়েছে বিজেপি কার্যালয়ের সামনে। —নিজস্ব ছবি।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের আগে বিহার থেকে ‘প্রচুর’ বাইক নিয়ে আসছে বিজেপি। রবিবার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজা মালদহে। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোটের আগে বিহারের নম্বরপ্লেট দেওয়া বাইক ঢোকানোর নেপথ্যে পদ্মশিবিরের ষড়যন্ত্র রয়েছে। অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপি বলছে, ভোটের আগে ‘কার্যকর্তা’দের জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আগেও বাইক পাঠিয়েছেন। এ বারেও পাঠানো হয়েছে। এখন মালদহে এসেছে। এর পর অন্যান্য জেলাতেও বাইক যাবে।

Advertisement

রবিবার সকালে মালদহ জেলা বিজেপি কার্যালয়ের মুখে দেখা যায় সারি সারি বাইক দাঁড়িয়ে। বাইকগুলির নম্বরপ্লেট বিহারের। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, ভোটের সময় বুথদখল রুখতে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি দেখতে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত ছোটাছুটি করতে হবে ‘কার্যকর্তা’দের। সে জন্যই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ওই বাইকগুলি পাঠিয়েছেন। অন্য দিকে, ভোটের আগে ভিন্‌রাজ্য থেকে বাইক ‘আমদানি’ নিয়ে বিজেপিকে বিঁধেছেন মালদহ জেলা তৃণমূলের সভাপতি রহিম বক্সী। তাঁর দাবি, ‘‘ভোটে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতেই বিহার থেকে ৭-৮ লরি বাইক নিয়ে আসা হচ্ছে।’’ তৃণমূল মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, ‘‘পুরো বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে নিয়ে এনেছি। নির্বাচনের আগে অশান্তি পাকানোর জন্যই বাইক এনেছে বিজেপি।’’

তবে পুরো বিষয়টিকে তৃণমূলের ‘আকাশকুসুম কল্পনা’ বলে মন্তব্য করেছেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। মালদহের বিজেপি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘‘জেলার নেতাদের ভোটপ্রচারের জন্য এই বাইক নিয়ে আসা হয়েছে। গত নির্বাচনেও এসেছিল। এ বার ১৪টি বাইক এসেছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিহারে ভোট হয়ে গিয়েছে। সামনে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। ভোটের সময় কার্যকর্তাদের ঘোরার জন্য এই বাইকগুলি দিয়ে থাকি আমরা। শিলিগুড়িতে এসেছে। মালদহে এসেছে। কলকাতাতেও বাইক পাঠানো হবে। গাড়ির কাগজপত্র ঠিকঠাক। পশ্চিমবঙ্গে ভোট শেষ হলে আবার অন্য জায়গায় বাইকগুলি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। এ নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছে রাজ্যের শাসকদল।’’

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement