TMC

WB Politics: সরলা, অমলের পরে তৃণমূলে ফেরার আর্জি ভোটের আগে বিজেপি-তে নাম লেখানো প্রাক্তন মন্ত্রীরও

তৃণমূলের কর্মীদের দাবি, বাচ্চুর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে লোকসভায় তার বিধানসভাতে ২৩ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় দল।

Advertisement

নীহার বিশ্বাস 

শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২১ ০৬:০৮
Share:

ফাইল চিত্র।

অমল আচার্য, সরলা মুর্মুর পর এ বার দলে ফিরতে চাইছেন প্রাক্তন মন্ত্রী বাচ্চু হাঁসদা। যা নিয়েই সরগরম দক্ষিণ দিনাজপুরের রাজনৈতিক মহল। তবে এই বিষয়টি রাজ্য নেতৃত্বের হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন জেলা নেতৃত্ব। ফলে বাচ্চুকে দলে নেওয়ার বিষয়টি আপাতত বিশ বাঁও জলে।

Advertisement

বিধানসভা ভোটে টিকিট না পেয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের এই প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু বাচ্চুর বিরুদ্ধে থাকা একাধিক দুর্নীতির অভিযোগের কারণে বিজেপিও তাঁকে সক্রিয়ভাবে নির্বাচনী কাজে লাগায়নি। তাই বিজেপিতে যাওয়ার কয়েকদিনের মধ্যেই মোহভঙ্গ হয়েছিল বাচ্চুর। তারপরেই দলে ফিরতে চেয়ে বার্তাও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে সময় জেলা ও রাজ্য নেতৃত্ব তাঁকে দলে ফেরায়নি।

এমন অবস্থায় নিজের পুরনো পেশা স্কুল মাস্টারিতেই ফিরে যান বাচ্চু। এ বার ভোটের ফলের পর বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে তৃণমূল আবার ক্ষমতায় ফিরতেই বাচ্চুও ফেরার জন্য তদ্বির শুরু করেছেন। বাচ্চুর দাবি, নির্বাচনের সময় ‘গোপনে’ তিনি তৃণমূলের হয়েই কাজ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘‘আমায় তখন দলে নিলে সক্রিয়ভাবে প্রচার করতে পারতাম। তপন, গঙ্গারামপুর ও বালুরঘাট আসনটি তাহলে জিতিয়ে দিতে পারতাম। গোপনে যেটুকু সাহায্য করেছি। তাতেই অনেক ভাল ফল হয়েছে। এখন যদি দল আমায় ফিরিয়ে নেয় তা হলে পুরোদমে কাজ করতে পারব।’’

Advertisement

বাচ্চুর এমন আর্জি শুনে তৃণমূলের কর্মীদের দাবি, বাচ্চুর বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগে লোকসভায় তার বিধানসভাতে ২৩ হাজার ভোটে পিছিয়ে যায় দল। লোকসভা আসনটি তৃণমূলের হাতছাড়া হবার এটাও একটা মূল কারণ। সেই জায়গায় বাচ্চুর বদলে কল্পনা কিস্কুকে ভোটে দাঁড় করিয়ে মাত্র ৪২০০ ভোটের ব্যবধানে হেরেছে দল। এতেই পরিস্কার বাচ্চুর গ্রহণযোগ্যতা একেবারেই নেই। তাই তাকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হলে কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেবে।

জেলা নেতৃত্বের দাবি, সৌগত রায় জানিয়েছেন, ‘দলের দুর্দিনে না থেকে যারা নিজেদের আখের গোছাতে বিজেপিতে গিয়েছিলেন, তাদের দলে নেওয়া হবে না।’ এই ইঙ্গিতেই স্পষ্ট, জেলা নেতৃত্বের বাচ্চুর ফেরা নিয়ে তীব্র আপত্তি রয়েছে। তৃণমূলের জেলা চেয়ারম্যান তথা কৃষি বিপণন মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন, ‘‘এই বিষয়টি পুরোপুরি রাজ্য নেতৃত্বের উপরে নির্ভর করছে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement