—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে রাজ্যে আবার বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেফতার। একই দিনে রাজ্যের দুই জেলা থেকে মোট সাত জন বাংলাদেশিকে পাকড়াও করল পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে তিন মহিলা এবং দুই শিশু রয়েছে। পাশাপাশি, বেআইনি ভাবে তাঁদের রাজ্যে ঢুকতে দেওয়ার অভিযোগে ভারতের দুই বাসিন্দাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সম্প্রতি কোচবিহারের দিনহাটায় বাংলাদেশের বাসিন্দা ওমর ফারুক ব্যাপারির গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। কারণ, অভিযুক্ত তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং অন্যকে নিজের বাবা বলে নথি তৈরি করে বছরের পর বছর এ দেশে ছিলেন। শনিবার সেই কোচবিহারেই অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিক পাকড়াও হন। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে এক ভারতীয়কেও গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার মধ্যরাতে মাথাভাঙার হাজরাহাট-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার জনৈক সঞ্জিত চৌধুরীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল পুলিশের একটি দল। সেখান থেকে তিন বাংলাদেশি মহিলা, দুই শিশু এবং ১৪ বছরের এক নাবালককে পাকড়াও করা হয়েছে। তাঁরা প্রায় একবছর সঞ্জীবের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। শনিবার সকলকে আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। সরকারি আইনজীবী বাবলু বর্মণ বলেন, ‘‘এক বছর আগে মেঘালয় দিয়ে ভারতের প্রবেশ করেছিলেন বাংলাদেশের ওই বাসিন্দারা। পরে কোচবিহারে আসেন। শনিবার তাঁদের মাথাভাঙা আদালতে হাজির করিয়েছিল পুলিশ। বিচারক আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।’’
অন্য দিকে, মালদহে এক বাংলাদেশি তরুণ-সহ ভারতীয় লরিচালককে গ্রেপ্তার করে বিএসএফ। ধৃতদের ইংরেজবাজার থানার পুলিশের মাধ্যমে মালদহ জেলা আদালতে হাজির করানো হয়।
ধৃত বাংলাদেশির নাম মহম্মদ আলমগীর কবির। ২৬ বছরের ওই যুবকের বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার চন্দ্রিমা থানার ছোট বনগ্রাম এলাকায়। তাঁর সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে লরিচালক সাজু ঘোষকে। পুলিশ ও বিএসএফ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাতে মহদীপুর এলাকায় একটি লরিতে লুকিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন ওই বাংলাদেশি যুবক। তল্লাশি অভিযানে ধরা পড়েন তিনি।