প্রতীকী চিত্র
জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের অর্ধেকই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। জেলায় এমন রোগীও রয়েছেন যিনি আক্রান্ত হওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় সুস্থ হয়েছেন। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, করোনা সন্দেহে এখনও পর্যন্ত যতজনের লালারসের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট এসেছে তার মধ্যে মাত্র ০.০৩ শতাংশ রোগীর শরীরে সংক্রমণ মিলেছে। অর্থাৎ আক্রান্তের শতাংশ এক শতাংশের থেকেও ঢের কম। এই পরিসংখ্যাণের উপরে ভিত্তি করেই স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, করোনা আক্রান্তের সুস্থতার হার বেশি, তেমনিই আক্রান্ত হওয়ার অনুপাতও বেশি নয়।
জেলা বুলেটিন থেকে জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার নতুন করে এক জন সংক্রমিত হয়েছেন। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৬৮।
জেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন জোর দিচ্ছে করোনা সুস্থতার হারে। বৃহস্পতিবার ১৮ জনকে জলপাইগুড়ি কোভিড হাসপাতাল তথা বিশ্ববাংলা ক্রীড়াঙ্গণ থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ছুটি পেয়েছেন ১৪১ জন। এ দিকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ছিল ২৬৭। সেই হিসেবে ৫২ শতাংশের বেশি রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এখনও ১২৬ জন রোগী কোভিড হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রের খবর, আজ-কালের মধ্যেই আরও জনা তিরিশেক রোগীর ছুটি পাওয়ার কথা। রোগীদের সকলেই উপসর্গহীন। ময়নাগুড়ির একদল স্বাস্থ্যকর্মীর একসঙ্গে সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে আসার পাঁচ দিনের মাথায় ফের পরীক্ষা করে জানা গিয়েছিল তাঁদের শরীরে সংক্রমণ নেই। করোনা মোকবিলায় উত্তরবঙ্গের বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওএসডি) সুশান্ত রায় বলেন, “সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। প্রতিদিন নতুন করে যত রোগী আক্রান্ত হচ্ছেন, ঠিকঠাক হিসেব করলে দেখা যাবে দিনভর তার থেকে বেশি রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন। আক্রান্ত হওয়ার শতাংশ এখনও কম। দ্রুত এই সংখ্যা আরও কমবে।” স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত মেডিক্যাল কলেজ থেকে জলপাইগুড়ি জেলার ৬৯০১ জনের রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্ত হয়েছেন ২৬৭ জন।