ভাগাড় নিয়ে বিতর্ক চরমে

শহরে ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার সমাধান না হওয়ায় পুরসভার চেয়ারম্যানকে দুষছেন দলের কাউন্সিলররাই।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০১:৩০
Share:

শহরে ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে তৈরি হওয়া সমস্যার সমাধান না হওয়ায় পুরসভার চেয়ারম্যানকে দুষছেন দলের কাউন্সিলররাই। গত কয়েক দিন ধরে এই সমস্যার সমাধানের বদলে যেভাবে বির্তক ছড়িয়েছে এবং প্রকল্প ভেস্তে গিয়েছে তাতে ক্ষুদ্ধ শহরের বিভিন্ন মহল। অভিযোগ, গ্রামবাসী ও পুরসভার কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলোচনা না করেই মধ্য চাঁপাতলি ও উত্তর বাইরাগুড়ি গ্রাম লাগোয়া এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরির উদ্যোগ নেয় পুর কর্তৃপক্ষ। এতে বাসিন্দাদের প্রবল বাধার মুখে পড়তে হয়। অবস্থা সামাল দিয়ে উত্তরবাইরাগুড়ি গ্রামে গিয়ে এলাকায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড হবে না বলে জানান বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী।

Advertisement

দলের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর গৌতম তালুকদার জানান, পুরসভার চেয়ারম্যান আশিষ দত্ত কারও সঙ্গে ডাম্পিং গ্রাউন্ড নিয়ে কোনও রকম আলোচনাই করেননি। তাঁরা কাউন্সিলর হিসেবেও বিষয়টি নিয়ে অন্ধকারে ছিলেন। পুলিশের গাড়ি ভাঙা, পুলিশ কর্মীকে মারধরের ঘটনা সংবাদপত্রে প্রকাশ হওয়ায় বিষয়টি জানতে পারেন। একই বক্তব্য ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দেবকান্ত বড়ুয়ার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের জেলা নেতাদের একাংশের দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন আলিপুরদুয়ার শহরে ডাম্পিং গ্রাউন্ড হোক। তবে পুরসভার চেয়ারম্যান কারও সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় আগামী দিনে যে কোনও জায়গায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড করতে গেলে বাধার সম্মুখীন হতে হবে।

আলিপুরদুয়ার টাউন ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক পরিতোষ দাস বলেন, ‘‘জঞ্জাল সমস্যা শহরের বড় সমস্যা। সঠিক পদক্ষেপের অভাবে কার্যত তা ভেস্তে গেল।’’ আলিপুরদুয়ার অভিভাবক মঞ্চের সম্পাদক ল্যারি বসু জানান, ‘‘জেলাপ্রশাসন জায়গা দিলেও পুর কর্তৃপক্ষের অদক্ষতায় তা বাস্তবায়িত হল না।’’ আশিষ দত্ত অবশ্য এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “জেলা প্রশাসন জায়গা দেওয়ায় ময়লা ফেলতে গিয়েছিলাম। যে সমস্ত কাউন্সিলর বিরোধিতা করছেন তাদের ওয়ার্ডের ময়লাও ফেলতে গিয়েছিলাম। তবে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য অর্থ বরাদ্দ করার বিষয় নগর উন্নয়ন দফতরের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।” আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক সৌরভ চক্রবর্তী জানান, সলিড ওয়েষ্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য নগর উন্নয়ন দফতরের প্রধান সচিব ওঙ্কার সিং মীনার সঙ্গে কথা হয়েছে। এলাকায় বিশেষজ্ঞ দল এসে বিষয়টি পুরকর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

Advertisement

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement