TMC

TMC-BJP: রাতারাতি ভোল বদলে কার্যালয় নীল-সাদা

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কৃষ্ণর ছবি-সহ বোর্ড লাগানো হয়।

Advertisement

গৌর আচার্য 

শেষ আপডেট: ২৯ অক্টোবর ২০২১ ০৭:২৮
Share:

রং হচ্ছে কার্যালয়। নিজস্ব চিত্র।

রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী ‘বেসুরো’ হওয়ার পরেই তাঁর কার্যালয় থেকে বিজেপির বোর্ড, ভিতর থেকে দলীয় নেতা নেত্রীদের ছবি সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ওই বোর্ড ও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, জেপি নড্ডা, অমিত শাহ, দিলীপ ঘোষ, রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর মতো নেতানেত্রীদের ছবি ছিল। বুধবার তিনি তৃণমূলে ফিরতেই রায়গঞ্জের সুপার মার্কেট এলাকায় রাতারাতি ওই কার্যালয়ের ভোল বদলে ফেললেন তাঁর অনুগামীরা।

Advertisement

কার্যালয়ের রঙ গেরুয়া থেকে নীল সাদায় বদলে ফেলা হয়। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কৃষ্ণর ছবি-সহ বোর্ড লাগানো হয়। সেই সঙ্গে, কার্যালয়ের ভিতরের বিভিন্ন অংশেও মমতা, অভিষেকের ছবির সঙ্গে তৃণমূলের ঘাসফুল প্রতীকের স্টিকারে ভরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বিজেপি সূত্রে খবর, কৃষ্ণ তৃণমূলে ফিরতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দু’জন সহকারী সাব ইন্সপেক্টর ও চার জন কনস্টেবল পদ মর্যাদার কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছয় জওয়ানকে তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সব ঠিক থাকলে আজ, শুক্রবার বিকালে রায়গঞ্জে ফিরবেন কৃষ্ণ। কৃষ্ণকে স্বাগত জানাতে এ দিন বিকালে তৃণমূলের তরফে রায়গঞ্জের বারোদুয়ারি থেকে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে জেলখানা মোড় হয়ে স্টেডিয়াম মাঠ পর্যন্ত কৃষ্ণকে ছোট গাড়িতে চাপিয়ে মোটর বাইক মিছিল হবে। এরপর কৃষ্ণ তৃণমূলের নেতা ও কর্মীদের নিয়ে স্টেডিয়াম মাঠ থেকে রায়গঞ্জ সুপার মার্কেটে তৃণমূলের উত্তর দিনাজপুর জেলা কার্যালয় পর্যন্ত মিছিল করবেন। অন্যদিকে, উত্তর দিনাজপুর জেলা বিজেপির তরফে এদিন সকালে রায়গঞ্জের ইনস্টিটিউট হলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা। ওই অনুষ্ঠানে সুকান্ত ও দিলীপ কৃষ্ণকে বিঁধে সুর চড়াতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে।

Advertisement

যদিও কৃষ্ণর বক্তব্য, “ষড়যন্ত্রকারী, সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টিকারী ও উন্নয়ন বিরোধী দল বিজেপির নেতানেত্রীদের কথার গুরুত্ব দিচ্ছি না আমি। আমি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর কেন্দ্রের কাছে নিরাপত্তারক্ষী চাইনি।” বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন,‘‘বিজেপির টিকিট ও সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হয়ে তৃণমূলে ফিরে কৃষ্ণবাবু বিশ্বাসঘাতকতার পরিচয় দিয়েছেন।”

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement