প্রতীকী ছবি।
রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক জন করে চিকিৎসক, নার্স ও হিসাবরক্ষককে কোয়রান্টিনে পাঠালেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার তাঁদের রায়গঞ্জের বোগ্রাম এলাকার একটি কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁদের লালারস পরীক্ষার জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।
হাসপাতাল সূত্রে খবর, কলকাতার বাসিন্দা ওই চিকিৎসক, নার্স ও হিসাবরক্ষক উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের করোনায় আক্রান্ত এক চিকিৎসকের সংস্পর্শে এসেছিলেন। অন্য দিকে, রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওই চিকিৎসক, নার্স ও হিসাবরক্ষকের সংস্পর্শে আসায় রায়গঞ্জ থানার এক সাব-ইনস্পেক্টর ও চার জন সিভিককর্মীকে হোম কোয়রান্টিনে পাঠিয়েছেন রায়গঞ্জ পুলিশ জেলা কর্তৃপক্ষ।
রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষ দিলীপ পালের বক্তব্য, করোনায় আক্রান্ত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসকের সংস্পর্শে আসার পরে ওই চিকিৎসক, নার্স ও হিসাবরক্ষক হাসপাতালের হস্টেলে সবার থেকে নিজেদের আলাদা করে রেখেছিলেন। কিন্তু তা সত্বেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁদের হোম কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে। রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার সুপার সুমিত কুমার জানান, ওই সাব-ইনস্পেক্টর ও চার সিভিককর্মী কর্মসূত্রে নিয়মিত রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যাতায়াত করেছেন। সেই কারণে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাঁদের কিছুদিন বাড়িতে বিশ্রামে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, গত বৃহস্পতিবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে একটি বিশেষ বাসে রায়গঞ্জ ও উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের বেশকিছু চিকিৎসক, নার্স ও প্রশাসনিক কর্মী কলকাতা থেকে ওই দুই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পৌঁছন। ওই বাসে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ওই চিকিৎসক, নার্স ও হিসাবরক্ষক ছিলেন।
রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষের বক্তব্য, শুক্রবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক চিকিৎসকের করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে। রায়গঞ্জ হাসপাতালের ওই চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী ওই চিকিৎসকের সঙ্গে একই বাসে এসেছিলেন। তাই তাঁদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কোয়রান্টিনে পাঠানো হয়েছে।