সিপিএমের দেওয়াল-লিখন। পুরাতন মালদহে। নিজস্ব চিত্র ।
সিপিআই প্রার্থী বদলের দাবি তুলে দেওয়াল লিখন শুরু করল সিপিএম। প্রার্থী ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টা পরে বামেদের শরিকি দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে মালদহ বিধানসভায়। বুধবার পুরাতন মালদহ শহরে সিপিআই প্রার্থী দীপক বর্মণকে বদলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখিয়ে দেওয়াল লিখন করেন সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। প্রার্থী বদল না করা হলে গণ-ইস্তফার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা। ভোটের মধ্যে প্রার্থী নিয়ে শরিকি দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসায় অস্বস্তি বাম-শিবিরে।
মালদহ বিধানসভায় এ বার সিপিআই প্রার্থী দীপক বর্মণ। তাঁর সমর্থনে পুরাতন মালদহের সাহাপুর, রায়পুরে দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে। প্রচারও শুরু করেছেন দীপক। তবে, সিপিআই প্রার্থী বদলের দাবি তুলে প্রচার শুরু করেছে সিপিএমের নেতা-কর্মীদের একাংশ। পুরাতন মালদহ শহরে সিপিএম প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দেওয়াল লিখনও শুরু হয়েছে।
মালদহ বিধানসভা ২০১১ সাল পর্যন্ত সিপিএমের দখলে ছিল। রাজ্যে পালাবদলের সময় কংগ্রেসের কাছে হেরে যায় সিপিএম। ২০১৬ এবং ২০২১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে আসন সমঝোতা হওয়ায় মালদহ বিধানসভায় প্রার্থী দেয়নি সিপিএম। তবে, এ বার সিপিএমের বদলে বামফ্রন্ট এখানে সিপিআই প্রার্থী দিয়েছে। তা নিয়েই বামেদের শরিকি দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে।
সিপিএম নেতা তথা ডিওয়াইএফআই-এর প্রাক্তন জেলা সম্পাদক বিশ্বজিৎ মণ্ডল বলেন, ‘‘সিপিএম বরাবর মালদহ বিধানসভা থেকে লড়াই করছে। আমরা টানা জয়ীও হয়েছি। দলের যে কোনও কর্মসূচি সিপিএম কর্মীরা পালন করছেন। অথচ, টিকিট দেওয়া হচ্ছে সিপিআইকে। ওদের কোনও সংগঠন নেই। প্রার্থী বদলে সিপিএমের প্রতীক না দেওয়া হলে আমরা গণ-ইস্তফা দেব।’’ এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাননি দীপক। সিপিআইয়ের জেলা সম্পাদক বাবর সরকার বলেন, ‘‘প্রার্থী পদ ঠিক করেছে রাজ্য বামফ্রন্ট। আলোচনা করে সমস্যা মেটানো হবে।’’ সিপিএমের জেলা সম্পাদক তথা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক কৌশিক মিশ্র বলেন, ‘‘সবাই নিজেদের। আলোচনা করে সমস্যা মেটানো হবে।’’
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে