—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
গঙ্গারামপুর পুর এলাকার ওয়ার্ড সভাপতিদের নাম ঘোষণা নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল। অভিযোগ, গত শনিবার সন্ধেয় বিপ্লব মিত্রকে সঙ্গে নিয়ে ওয়ার্ড সভাপতিদের নাম ঘোষণা করেন শহর সভাপতি কাঞ্চন সেন। বিপ্লব অনুগামীদের সভাপতি করায় বিতর্ক শুরু হয়। যদিও রাতে সেই নামগুলো তুলে নেওয়া হয় বলে খবর। এ নিয়ে সমাজমাধ্যমেও পোস্ট করেন দলের নেতারা।
আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে কমিটি গঠন নিয়ে দলের এমন ‘ছন্নছাড়া ও সমন্বয়হীন’ অবস্থা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। ওয়ার্ড সভাপতিদের নাম ঘোষণা নিয়ে গঙ্গারামপুর বিধানসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা গৌতম দাসকে অবহিত করা হয়নি বলে অভিযোগ। গৌতম বলেন, “ফেসবুকে দেখলাম ওয়ার্ড সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাতের দিকে দেখছি সেই নাম আবার তুলেও নেওয়া হল। এ ভাবে চললে সংগঠন কী করে শক্তিশালী হবে।” গৌতমের দাবি, এখানে বিরোধী বলে কেউ নেই। তাই নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হলে ভোটে জেতা কঠিন হয়ে যাবে।
সূত্রের খবর, তৃণমূলের পার্টি অফিসে মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রকে সামনে বসিয়ে শহরের ১৮টি ওয়ার্ডের সভাপতিদের নাম ঘোষণা করা হয়। এ দিকে, এই বিধানসভার কোঅর্ডিনেটর হিসেবে বিজেপির থেকে জয় ছিনিয়ে আনতে এবং সংগঠন মজবুত করতে ময়দানে নেমেছেন গৌতম। কোন ওয়ার্ডে কাকে দায়িত্ব দিলে শহরে বিজেপির ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামানো যাবে, তা নিয়ে লাগাতার সমীক্ষা চালাচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে তাঁকে না জানিয়ে আগাম সভাপতিদের নাম ঘোষণা করে দেওয়ায় ‘বিপ্লব-গৌতম’ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল। এর পরে খবর যায় কলকাতায় শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে। এই সভাপতিদের নাম বাতিল করতে সেখান থেকে জেলা সভাপতি সুভাষকে ফোনে নির্দেশ দেওয়া হয়। জেলা সভাপতির নির্দেশে সেই সভাপতিদের নাম কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তুলে নেওয়া হয়। সুভাষ বলেন, “সমন্বয়ের একটা অভাব হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন কমিটি গঠন করা হবে।”
এ নিয়ে কাঞ্চনকে একাধিক বার ফোন করা হলেও উত্তর দেননি।
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে