—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।
নাকা তল্লাশির সময় প্রাক্তন বিধায়কের গাড়িতে মিলল আগ্নেয়াস্ত্র। ওই ঘটনায় মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। বাজেয়াপ্ত হয়েছে একটি পিস্তল। বিধানসভা ভোটের মুখে এই ঘটনায় শোরগোল মালদহে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায়। মালদহ জেলা কংগ্রেসের সহ-সভাপতি তথা মানিকচকের প্রাক্তন বিধায়ক মোত্তাকিন আলমের গাড়ি তখন পুরাতন মালদহের ১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে চেঁচু মোড় এলাকায়। সেখানে নাকা তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। প্রাক্তন বিধায়কের গাড়িতে তিনি নিজে ছিলেন না বলে খবর। চালক-সহ ছ’জন ছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গাড়িটিতে তল্লাশি করে পুলিশ। ড্যাশবোর্ড থেকে একটি পিস্তল পায় তারা। আগ্নেয়াস্ত্রটি সম্পর্ক তথ্য দিতে পারেননি গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা। সেভেন এমএম পিস্তলটি বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। আটক করা হয় কয়েক জনকে।
রবিবার পুলিশের একটি সূত্রে খবর, মোট ছ’জনকে গ্রেফতার করেছে তারা। ধৃতদের বাড়ি ইংরেজবাজার এলাকায়। তাঁরা প্রত্যেকেই প্রাক্তন বিধায়ক তথা কংগ্রেস নেতা মোত্তাকিনের নিকট আত্মীয়। ধৃতদের মালদহ জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনায় প্রাক্তন বিধায়কের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। পুরাতন মালদহ পুরসভার চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেতা বিভূতি ঘোষ বলেন, ‘‘নির্বাচনের প্রাক্কালে এমন ঘটনা কাম্য নয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি যদি লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েও থাকে, সেটি কেন প্রাক্তন বিধায়ক গাড়িতে না থাকাকালীন পাওয়া গেল?’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘নিশ্চয়ই কোন অসৎ উদ্দেশ্য ছিল। পুলিশ তদন্ত করছে। আমাদের বিশ্বাস সত্য উদ্ঘাটিত হবে।’’ অন্য দিকে, কংগ্রেসের মালদহ জেলার কার্যনির্বাহী সদস্য মান্তু ঘোষের দাবি, আগ্নেয়াস্ত্রটি মোত্তাকিনেরই। এবং সেটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত। তিনি বলেন, ‘‘ইদের ব্যস্ততায় ভুলবশত গাড়িতেই রেখে দিয়েছিলেন উনি। বাড়ির লোকজন ওই গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছিলেন। সকলে পান্ডুয়া যাচ্ছিলেন। কোনও অসৎ উদ্দেশ্য ছিল না। তৃণমূল ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে।’’