চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। ফাইল চিত্র।
হবিবপুরের পরে এ বার চাঁচল। স্বাস্থ্য আধিকারিকের পরিদর্শনের মুখে ভোল বদলাচ্ছে একের পর এক হাসপাতাল।
শনিবার রাতে মালদহের চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পরিদর্শনে এসেছিলেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা (ডাইরেক্টরেট অব হেলথ সার্ভিস) স্বপন সরেন। সঙ্গে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ি। তার জেরে উধাও হল চেনা ছবি। দেখা গেল, হাসপাতালের সামনে থেকে উধাও আবর্জনা। গোটা হাসপাতাল চত্ত্বর ঝকঝক করছে। নেই পরিচিত দুর্গন্ধ। তার বদলে মৃদু সুবাস নাকে আসছে। এ দিন সন্ধ্যায় হাসপাতালে ঢুকে রোগী, তাদের আত্মীয়দের পাশাপাশি অনেকেরই চোখ কপালে উঠল। হাসপাতাল নাকি বেসরকারি নার্সিংহোম দেখে বোঝার উপায় নেই। পরিদর্শনের জেরে হাসপাতালকে ঘিরে এমন সাজো সাজো রব নিয়ে কটাক্ষ করেছেন অনেকেই। হাসপাতাল পরিদর্শনের পরে একাধিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা।
হাসপাতাল ও রোগীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, হাসপাতালে একাধিক সমস্যা রয়েছে। ২৪ শয্যার ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিট গড়ে তোলা হলেও তা এখনও চালু হয়নি। শিশু বিভাগে একটি শয্যায় দু’জনকে থাকতে হচ্ছে। টেকনোলজিস্ট না থাকায় সপ্তাহে দু’দিন মাত্র আলট্রাসোনোগ্রাফি করা হয়। ফলে অনেককেই বেসরকারি নার্সিংহোমে গিয়ে তা করাতে হচ্ছে। এক দশক বাদেও এমনই নানা সমস্যায় জেরবার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল। শনিবার পরিদর্শনের পর এসব সমস্যা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্যকর্তা।
স্বাস্থ্যকর্তা অবশ্য পরিদর্শনের পরে হাসপাতালের পরিষেবা ও পরিকাঠামোর প্রশংসা করে বলেন, “শিশু বিভাগে শয্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটটিও দ্রুত যাতে চালু হয় তা দেখা হচ্ছে।”
ব্লক কংগ্রেস নেতা আঞ্জারুল হক বলেন, “গন্ধে হাসপাতালে ঢোকা দায়। সঠিক পরিষেবা মেলে না। আমরা চাই, শুধু পরিদর্শনের জন্য নয়, হাসপাতালের অবস্থা সব সময়েই যেন এই রকম থাকে। স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছে সেই আবেদন করেছি।”
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে