গঙ্গা ভাঙন মানিকচকের গোপালপুর পঞ্চায়েতের এলাহিটোলায়। — নিজস্ব চিত্র।
গঙ্গার জল বাড়তেই ভাঙন শুরু হয়েছে মালদহের মানিকচকের গোপালপুর পঞ্চায়েতের এলাহিটোলায়। ভাঙনে বিঘার পর বিঘা পাট খেত তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। ওই এলাকায় বাঁধের সঙ্গে নদীর দূরত্ব কমে কোথাও ১০০ মিটার, কোথাও দেড়শো মিটার দাঁড়িয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধের কাজ না হলে বাঁধ ভেঙে বন্যার আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা।
সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ-সহ উৎস মুখে ভারী বৃষ্টির জেরে মালদহে গঙ্গার জল বাড়তে শুরু করেছে। এর জেরে উজানে রতুয়া বা মানিকচকের ভূতনিতে এখন পর্যন্ত সে ভাবে ভাঙন শুরু না হলেও মানিকচকের গোপালপুর পঞ্চায়েতের এলাহিটোলায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ওই গ্রামে প্রায় ১০০ মিটার এলাকা জুড়ে নদীর পাড় ভাঙছে। তার পাশেই রয়েছে বিঘার পর বিঘা পাটের জমি। এ ভাবে ভাঙন চললে তা নদীগর্ভে বিলীন হবে বলে আশঙ্কা চাষিদের। বাসিন্দারা জানান, প্রায় ১০ বছর ধরে মাঝেমধ্যে এলাকায় গঙ্গা ভাঙন হলেও গত তিন-চার বছর ধরে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়েছে। বিঘার পর বিঘা কৃষি জমি গঙ্গাগর্ভে তলিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হক বলেন, ‘‘ভাঙন চললেও এ পর্যন্ত এলাহিটোলায় পাড় রক্ষায় স্থায়ী কাজ হয়নি। সেচ দফতরের তরফে এলাহিটোলা থেকে শান্তি মোড় ঘাট পর্যন্ত ৯০০ মিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন প্রতিরোধের কাজ হবে বলে জানতে পেরেছিলাম। কিন্তু ভাঙন শুরু হয়ে গেলেও কাজ শুরু হল না। আমরা গ্রামবাসীরা আতঙ্কে রয়েছি।’’
সেচ দফতরের মালদহ ডিভিশনের কর্তারা মন্তব্য করেননি। মানিকচকের বিজেপি বিধায়ক গৌরচন্দ্র মণ্ডল এই প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘‘পূর্বতন সরকার ভাঙন প্রতিরোধের নামে কোটি কোটি টাকা লুট করেছে। কয়েক হাজার কোটি টাকার কেন্দ্রীয় প্রকল্প করেছি। ধাপে ধাপে কাজ হবে। এলাহি টোলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুত পদক্ষেপের কথা বলব সেচ দফতরকে।"
প্রতিদিন ২০০’রও বেশি এমন প্রিমিয়াম খবর
সঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ই -পেপার পড়ার সুযোগ
সময়মতো পড়ুন, ‘সেভ আর্টিকল-এ ক্লিক করে