বরফে ঢেকেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। —নিজস্ব ছবি।
রাতভর ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দার্জিলিং থেকে সিকিম। প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গের সমতলেও। ঝড়ে বিভিন্ন জায়গায় প্রচুর গাছ ভেঙে পড়েছে। ব্যাহত যান চলাচল।
শুক্রবার রাতে পাহাড় থেকে সমতলে একাধিক জায়গায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। তুষারপাত হয়েছে সিকিমের বহু জায়গায়। এর জেরে শনিবার সকাল পর্যন্ত বিভিন্ন রাস্তাঘাট বন্ধ ছিল। যান চলাচলে প্রভাব পড়ে। সকাল থেকে বরফ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেছে সিকিম প্রশাসন। কিছু জায়গায় যান চলাচল স্বাভাবিকও হয়েছে।
উত্তর সিকিমের একাধিক জায়গায় তুষারপাত হয়েছে। ইয়ুমথাং, গুরুদোংমার, লাচেন, লাচুং, ১৫ মাইল থেকে নাথাং-এ ঘন তুষারপাত হয়। সকালে আবার একপ্রস্ত তুষারপাতের পরে বন্ধ হয়ে থাকা মূল সড়কপথ পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়। এখন চুংথাং থেকে লাচুং, লাচেন, টুং হয়ে মঙ্গন যাওয়ার, জেএন রোড থেকে ১৫ মাইল যাওয়ার এবং আরএন রোড থেকে নাথাং যাওয়ার সড়ক খোলা। তবে নাগারোড বন্ধ রয়েছে। চুংথাং থেকে টুং হয়ে মঙ্গন যাওয়ার সড়কও বন্ধ থাকছে। বন্ধ থাঙ্গু থেকে গুরুদোংমার যাওয়ার সড়কপথ।
নিজস্ব ছবি।
দার্জিলিং জেলার সান্দাকফুতেও রাতে প্রবল তুষারপাত হয়েছে। সকাল থেকে বিস্তীর্ণ এলাকা বরফাচ্ছন্ন ছিল। তা ছাড়া ঝড়বৃষ্টিতে প্রচুর গাছ ভেঙেছে। দার্জিলিঙের জেলাশাসক হরিশঙ্কর পানিক বলেন, ‘‘পাহাড়ে একাধিক জায়গায় রাত থেকে ঝড়বৃষ্টির ফলে গাছ ভেঙে পড়েছে। সে সব জায়গায় কাজ শুরু হয়েছে।’’
দুর্যোগে দুর্ভোগ সমতলেও। শিলিগুড়ি পুরনিগমের ১, ৩, ৫, ১৭ এবং ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডেও গাছ ভেঙে পড়েছে ঝড়ে। ফলে সকালে তীব্র যানজট হয়েছে শহরে। সেই গাছ কেটে যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজ শুরু করেছে পুরনিগম। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ‘‘রাতে ঝড় থামার পর আমি কয়েকটা জায়গায় রাতেই গিয়েছি। কিছু গাছ ভেঙে পড়েছিল। সে সব দ্রুত কাটার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’’