বিজেপিতে গেলেন তৃণমূল নেতা

উজ্জ্বলবাবু জানান, তৃণমূলের সদস্য হলেও জেলা পরিষদের কোনও সভা-সমিতিতে তাঁকে ডাকা হতো না। তিনি দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার বলে তাঁর দাবি।

Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০৩ এপ্রিল ২০১৮ ০২:২০
Share:

পঞ্চায়েতের মনোনয়ন শুরুর দিনেই জোর ধাক্কা মালদহ তৃণমূলে। সোমবার কলকাতায় বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য উজ্জ্বল চৌধুরী।

Advertisement

২০১১-২০১৩ পর্যন্ত কংগ্রেসের দখলে থাকা মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদেও ছিলেন তিনি। ২০১৩-তে পঞ্চায়েত ভোটের আগে ইংরেজবাজারের তত্কালীন বিধায়ক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরীর সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দেন। উজ্জ্বলবাবু জানান, তৃণমূলের সদস্য হলেও জেলা পরিষদের কোনও সভা-সমিতিতে তাঁকে ডাকা হতো না। তিনি দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের শিকার বলে তাঁর দাবি। তিনি বলেন, ‘‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মর্যাদা না দেওয়াতেই বিজেপিতে যোগ দিলাম।’’ যদিও তৃণমূল দাবি, গত দেড় বছর ধরে দলের সঙ্গে উজ্জ্বলবাবুর যোগ নেই।

২০০৮-এ মালদহ জেলা পরিষদের ২৭ নম্বর আসনে কংগ্রেসের হয়ে জিতেছিলেন উজ্জ্বল চৌধুরী। সেসময় জেলা পরিষদের সভাধিপতি হয়েছিলেন কংগ্রেসেরই সাবিনা ইয়াসমিন। সাবিনা ২০১১-তে মোথাবাড়ি থেকে বিধায়ক হওয়ায় উজ্জ্বলবাবুকে সভাধিপতি পদে বসায় দল। ২০১৩-তে তৃণমূলে যোগ দিয়ে ২৮ নম্বর আসনে দাঁড়িয়ে জেতেন তিনি। মালদহ জেলা পরিষদে উজ্জ্বলবাবু জেলা তৃণমূলের দলনেতা ছিলেন। ২০১৬-তে জেলা পরিষদের সভাধিপতি ও একাধিক জেলা পরিষদ সদস্য কংগ্রেস ও সিপিএম ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় জেলা পরিষদ দখল করে তৃণমূল। সেসময় জেলা পরিষদে সহকারী সভাধিপতি পদের দাবিদার উজ্জ্বলবাবু। কিন্তু দল তাঁকে সেই পদে না বসিয়ে গৌরচন্দ্র মণ্ডলকে বসায়। তখন থেকেই উজ্জ্বলবাবু দল থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে শুরু করেন।

Advertisement

এই দলত্যাগ প্রসঙ্গে তৃণমূলের জেলা সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘‘উনি বহুদুন ধরে দলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন না। ফলে আমরা জানি তিনি সেই সময় থেকেই দলে নেই।’’ তাঁর বিজেপিতে যোগ নিয়ে দলে কোনও প্রভাব পড়বে না বলে দাবি মোয়াজ্জেমের।

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement
Advertisement