পার্টি অফিস দখলকে ঘিরে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, বোমাবাজিতে মালদহের চাঁচলের হজরতপুর-জালালপুরে জখম হয়েছে তিন শিশু কন্যা ও দুই স্কুলছাত্রী সহ অন্তত ১৫ জন। ভাঙচুর হয়েছে ২০টি বাড়িও। চার জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশি টহল চলছে। পুলিশ ও তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, বিধানসভা ভোটের পর জেলার সব কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়। চাঁচল-২ ব্লক সভাপতির দৌড়ে ছিলেন হবিবুর রহমান নামে দুই নেতা। এক সময় ব্লক কংগ্রেসের জাঁদরেল ওই দুই নেতার বাড়িও একই এলাকায়। প্রাক্তন প্রধান হওয়ায় একজন মুখিয়া হবি ও অন্য জন ইটভাটার মালিক হওয়ায় ভাটা হবি নামে এলাকায় পরিচিত। শনিবার ব্লকের নতুন সভাপতির দায়িত্ব পান হবি মুখিয়া। তারপর থেকেই উত্তেজনা চড়তে শুরু করে। ভাটা হবি ওরফে হবিবুর রহমানের দাবি, ‘‘মুখিয়া হবির দলবল আমাদের এলাকা ছাড়া করতে বোমাবাজি করে।’’ যদিও ব্লক সভাপতির দাবি, ‘‘ওরাই আমাদের লোকজনের বাড়ি লক্ষ করে বোমা ছুড়ছিল।’’ জেলা তৃণমূল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, দলে এ সব বরদাস্ত করা হবে না। আহত রমিশা বিবি বলেন, ‘‘ভোরে পালানোর সময় বোম পড়ল।’’