Coronavirus

২৪ ঘণ্টায় আবার আক্রান্ত দু’জন

রবিবার মানিকচক কোভিড কেয়ার সেন্টার থেকে ১৭ জনকে ছুটি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

জয়ন্ত সেন 

শেষ আপডেট: ০১ জুন ২০২০ ০৬:৪৮
Share:

প্রতীকী ছবি

মালদহে নতুন করে আরও দু’জনের লালারসের রিপোর্ট পজ়িটিভ এসেছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের এক জন গাজলের একলাখির ৩০ বছরের যুবক। অন্য জন হবিবপুরের আকতৈলের খড়িবাড়ি এলাকার ৩২ বছরের যুবক। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, এতে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৪০ জন।

Advertisement

রবিবার মানিকচক কোভিড কেয়ার সেন্টার থেকে ১৭ জনকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌরচন্দ্র মণ্ডল সুস্থ ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের হাতে নতুন জামা-কাপড় ও ফুল, মিষ্টি তুলে দেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় এখনও পর্যন্ত ৬৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এ দিকে, মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভাইরোলজি ল্যাবে লালারসের নমুনার ‘ব্যাকলগ’ রয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এই ল্যাবে বকেয়া থাকা নমুনার সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৩৫৬টি। তবে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বকেয়ার পরিমাণ দ্রুত কমিয়ে লালারস পরীক্ষার সংখ্যা বাড়াতে ফের ‘পুল টেস্ট’ শুরু করা হয়েছে। শনিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ওই ল্যাবে ৭৮৪টি পুল টেস্ট করা হয়েছে। একক ভাবে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫২টি। বকেয়ার সংখ্যা কমাতে ওই ল্যাবে জমে থাকা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ১ হাজার লালারসের নমুনা মুর্শিদাবাদের ভাইরোলজি ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

শুক্রবার জেলায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হননি। কিন্তু শনিবার রাতে ফের দু’জনের সংক্রমণ ধরা পড়ে। জানা গিয়েছে, গাজলের বৈরগাছির ৩০ বছরের ওই যুবক মুম্বইয়ে একটি গয়নার দোকানে ম্যানেজার ছিলেন। অন্য শ্রমিকদের সঙ্গে বাসে ২৫ মে মালদহে ফেরেন। গৌড়কন্যা বাস টার্মিনাসে তাঁর লালারস সংগ্রহ করা হয়েছিল। শনিবার রাতে রিপোর্ট পজ়িটিভ আসে। তিনি হোম কোয়রান্টিনে ছিলেন। এ দিন সকালে স্বাস্থ্যকর্মীরা তাঁকে জেলা কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করেন। হবিবপুরের খড়িবাড়ির আক্রান্ত যুবক ২০ মে ট্রেনে হরিয়ানা থেকে জেলায় ফেরেন। তিনি নিজের গ্রামের প্রাইমারি স্কুলে কোয়রান্টিনে ছিলেন। স্বাস্থ্য দফতরের তরফে তাঁর লালারসের নমুনা ২৭ মে নেওয়া হয়েছিল। তাঁকেও এ দিন জেলা কোভিড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দু’জনের কারও করোনার কোনও উপসর্গ ছিল না।

জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভূষণ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘ভাইরোলজি ল্যাবে ব্যাকলগ কমানোয় জোর দেওয়া হয়েছে। পুল টেস্টে একসঙ্গে পাঁচ জনের নমুনা পরীক্ষা করা যাচ্ছে। পজ়িটিভ মিললে আলাদা করে সংশ্লিষ্ট পাঁচ জনের লালারসের নমুনা ফের পরীক্ষা করা হবে।’’

আনন্দবাজার অনলাইন এখন

হোয়াট্‌সঅ্যাপেও

ফলো করুন
অন্য মাধ্যমগুলি:
আরও পড়ুন
Advertisement